Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ২৫ জুলাই, ২০১৬ ১৩:৫৫
আপডেট :
ছবির নাম দেখানোর আগেই নায়কের নাম
অনলাইন ডেস্ক
ছবির নাম দেখানোর আগেই নায়কের নাম

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত সালমানের 'সুলতান'কে ছাপিয়ে গেছে রজনীকান্তের 'কাবালি'। এ ছবি দেখা নিয়েও ঘটে গেছে নানা এলাহি কাণ্ড। ছবিটির শুরুতেই ছবির নাম দেখানোর আগে ক্রেডিটে নায়কের নাম দেখানো হয়েছে! এর মাধ্যমেই রজনীকান্তের দাপট বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ রজনীকান্তই ছবি শুরু করেন, আবার তিনিই শেষ করেন। কারও ধার ধারেন না! 

ছবিটির কাহিনীতে দেখা যায়, ২৫ বছর পর গ্যাংস্টার কবালি জেল থেকে (রজনীকান্ত) ছাড়া পাচ্ছে। মালয়েশিয়ার নামকরা গ্যাংস্টার তিনি। কবালির সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে (রাধিকা আপ্টে) মেরে ফেলেছে তার শত্রুরা। ছাড়া পেয়ে বদলা নয়, বরং বদলের একটা পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন তিনি।  

দশটা-পাঁচের বুলেট ট্রেন
গোটা ভারতে সুপারস্টার একজনই! তার নাম রজনীকান্ত। চিন-আপ মেরে জেল থেকে বের হন তিনিই। জেল থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মতো জনপ্রিয়তা থাকে তারই। কখনও ডান পা-টা বাঁ পায়ের উপর, কখনও বাঁ পা-টা ডান পায়ের উপর তুলে শটগান চালাতে পারেন তিনিই। ভাবই তার আলাদা! কিন্তু এসব যদি কোন তথাকথিত সুপারস্টার করেও ফেলেন, রজনীর মতো ১০টা বুলেট হজম করে পর মুহূর্তেই প্রতিপক্ষকে ফোন করে কি বলতে পারেন, ‘কী রে কেমন দিলাম’! অতএব বুলেট ট্রেন রজনীই চালাতে পারেন। দর্শক বেঁচে গিয়েছেন, রজনী মালয়েশিয়ার টুইন-টাওয়ারে কোন স্টান্ট করেননি!

‘থালাইভা’র জীবনে সবই সম্ভব
অবাক হওয়ার কিছু নেই! রজনী আগ্নেয়গিরির আগুন দিয়ে সিগারেট ধরাতে পারেন। তার অভিনীত চরিত্রে সবই সম্ভব। কবালি তার স্ত্রীকে যেভাবে খুঁজে পায়, পৃথিবীর কেউ সেভাবে খুঁজে পাবে না এটা নিশ্চিত। যেভাবে এতকিছু ঘটে যাওয়ার পরেও মেয়েকে খুঁজে পায়, সেটাও রজনীকান্তের ছবিতেই সম্ভব। রজনীর প্রতি নিয়তি, মানে চিত্রনাট্য সবসময় সদয়।  
 
একা রজনী
বলিউডের ব্যায়ামবীর নায়কদের কাঁধ কতটা চওড়া সে হিসাব বোধহয় রজনী রাখেন না। একার কাঁধে ছবি তিনি টেনে নিয়ে যেতে পারেন। সারা ছবি জুড়ে কোট-প্যান্ট-ফর্মাল জুতো পরে থাকতে তিনিই পারেন। সেটার ব্যাখ্যাও দিতে পারেন। বলতে পারেন, পোশাকটাই মানুষের প্রথম পরিচয়। পোশাকই সম্ভ্রম এনে দেয় উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটার মনে। মন্দ বলেননি রজনী। সুপারস্টার ভাবমূর্তিটা তো এভাবেই জোরাল হয়, তাই না? যেখানে আপনার কাঁধেই ছবির জোয়াল, এসব তো করতেই হবে। বাকি চরিত্রগুলো থাকলেই কী, না থাকলেই বা কী! যদিও আপনি বলেছেন, মোহনদাস কর্মচন্দ গাঁধী ধুতি পরতেন রাজনীতি করার জন্য। আর বাবাসাহেব অম্বেডকরও কোট-প্যান্ট-টাই পরতেন ওই একই রাজনীতির জন্য।  

 

বিডি প্রতিদিন/২৫ জুলাই ২০১৬/হিমেল-১৭

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow