Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৬:৪৮
আপডেট :
রাজস্ব আয় বাড়লেও রাঙামাটি পর্যটন খাতে বাড়েনি সুবিধা
ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি
রাজস্ব আয় বাড়লেও রাঙামাটি পর্যটন খাতে বাড়েনি সুবিধা

শীতের মৌসুম শুরু হতে না হতেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাঙামাটি। অবকাশ কাটাতে প্রতিদিন অগণিত পর্যটক আসছেন নৈসর্গিক এ পাহাড়ি জনপদে। পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে রাঙামাটি যেন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। শহরজুড়ে পর্যটকদের ভিড়। রাঙামাটির নৈসর্গিক আবেশ আর দর্শনীয় স্থান ও নিদর্শনগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ কাড়ে সহজেই। তাই এসব আকর্ষণীয় স্পট দেখতে প্রতি বছর শীত মৌসুমে পর্যটকরা রাঙামাটি এসে ভিড় জমান।

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের তথ্য সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটি শহরের বেড়াতে আসা পর্যটকদের ভিড়ে সবকটি আবসিক হোটেল, মোটেল, সরকারি রেস্ট হাউসে লোকজনের ভিড়। কোথাও রুম খালি নেই। এখন অনেকে ভিড় করছেন অগ্রিম বুকিংয়ের জন্য। সরকারি সাপ্তাহিক বন্ধের দিনসহ ইংরেজি নববর্ষকে সামনে রেখে পিকনিক পার্টির আগমনও লক্ষণীয়। তবে রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সে বেড়াতে এসে অসন্তষ প্রকাশ করেছে অনেক পর্যটক।  

কারণ পর্যটকদের জন্য কোনো ধরনের সুবিধা বাড়ানো হয়নি। অনেকে এসে মনক্ষুণ্ণ হচ্ছেন। অথচ, শীত মৌসুমের শুরুতেই রাঙামাটি পর্যটন মোটেলে রাজস্ব আয় আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে নিরাপত্তারও বিঘ্ন ঘটছে। অনেক সময় কতিপয় ব্যক্তিরা এসে পর্যটকদের নাজেহাল করে। অটো-রিকশাওয়ালারা জিম্মি করে আদায় করছে ২-৩ গুণ বেশি ভাড়া। বোটওয়ালারা ইচ্ছে মতো ভাড়া নিচ্ছে। তারা পর্যটনের কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কাই করে না। এসব ক্ষেত্রে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। যে কারণে সরকারের রাজস্ব হারানোরও ঝুঁকি বাড়ছে।  

রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানান, রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সে চলতি মৌসুমে চার থেকে পাঁচ হাজার পর্যটক এসেছেন। জেলা পরিষদের উদ্যোগে পর্যটন উন্নয়নের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সেটা বাস্তবায়ন হলে পর্যটকদের সব অভিযোগ দূর হবে।  

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের নিয়ন্ত্রণ জেলা পরিষদ পেয়েছে। তাই পর্যটন বিস্তারের দায়িত্ব জেলা পরিষদের। তার জন্য স্থানীয় আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বোট মালিকদের নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে পর্যটন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। বাড়বে পর্যটকদেরও সুবিধাও। তাছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদের জন্য টুরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তা বিষয়েও বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হবে।  


বিডি প্রতিদিন/২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬/ফারজানা

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow