Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১ জুন, ২০১৬ ২৩:২৫
প্রয়োজনে সৌদি জোটে সেনা পাঠাবে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, সৌদি আরব সামরিক জোটের যে আহ্বান জানিয়েছে, সেখানে প্রয়োজনে সৈন্য পাঠানো হবে। এটি কোনো সামরিক জোট নয়, যদিও এভাবেই বলা হচ্ছে। এটি হচ্ছে টেরোরিজম ও ভায়োলেশন এক্সট্রিমিজমের বিরুদ্ধে এবং এ দুটি সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বা নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত একটি সেন্টার। এ সেন্টারের সদর দফতর হচ্ছে রিয়াদে।

এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সৌদি আরব সফরের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, এর আগে কুয়েতে ইরাক হামলা চালালে সৌদি আরবের দুটি পবিত্র মসজিদ রক্ষায় আমরা সৈন্য পাঠিয়েছিলাম। সম্প্রতি জোটের অন্তর্ভুক্ত সামরিক বাহিনীর প্রধানদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সেনাপ্রধানও অংশ নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাকে প্রাথমিক পর্যায়ে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল বিন আল জুবায়ের যা বলেছেন তা হলো, এ সেন্টারে দুটি ট্র্যাক থাকবে। একটি হচ্ছে সিকিউরিটি ট্র্যাক, আরেকটি হলো মিলিটারি ট্র্যাক। সিকিউরিটি ট্র্যাকের কাজ হবে, টেরোরিজম এবং ভায়োলেশন এক্সট্রিমিজমের উদ্ভব হচ্ছে কীভাবে, কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, এটাকে কীভাবে হ্যান্ডল করা যায় সে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ। এবং যে কটি দেশ এখানে যোগদান করেছে, তাদের সঙ্গে কীভাবে এ লক্ষ্যে কাজ করার জন্য যার কাছে যে সামর্থ্য রয়েছে, তাকে কীভাবে ব্যবহার করা যায় তা নির্ধারণ করা এবং ব্যবহার করা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে মিলিটারি ট্র্যাক। টেরোরিজম, ভায়োলেশন এক্সট্রিমিজম এক এক দেশে এক এক রূপ নিচ্ছে। অনেক দেশে আছে, যেমন আফ্রিকায় রয়েছে ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রগুলো, সেখানে মালিতে ফ্রান্সের সেনাবাহিনী রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এর সবকিছুই হচ্ছে ঐচ্ছিক।




এই পাতার আরো খবর
up-arrow