Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ৬ জুন, ২০১৬ ২৩:২১
কর্নেলের মা হত্যা
খুনি অধরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় কর্নেল খালেদ বিন  ইউসুফের মা মনোয়ারা সুলতানার ঘাতকদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে ক্লু উদঘাটন করতে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও ডিবি তত্পরতা চালাচ্ছে। জানা গেছে, গত রবিবার এই হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির কয়েক বাসিন্দাসহ আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, মনোয়ারার বাসা থেকে কিছু খোয়া যায়নি। তাদের পারিবারিক কোনো শত্রু নেই। এ অবস্থায় কারা, কেন তাকে হত্যা করেছে— এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছেন না তারা। বাড়ির ভাড়াটেদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বাড়িতে প্রহরী হিসেবে প্রায় এক সপ্তাহ ছিলেন রবি নামে এক যুবক। গত ৩০ মে তিনি চলে গেছেন। ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুঁজছে পুলিশ। ভাড়াটেদের মধ্যে লাইলী খাতুন লাবনীকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কারণ ভাড়াটেদের মধ্যে লাইলী প্রায়ই মনোয়ারার বাসায় আসা-যাওয়া করতেন। তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ছেলে মেহেদি ও ভাইপো ডালিমকে নিয়ে থাকেন লাইলী। হত্যাকাণ্ডের পর তাদের তিনজনকেই থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক জানান, মামলার ক্লু উদঘাটন করতে নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াও মোবাইলফোন ট্রাকিংসহ তথ্য-প্রযুক্তির সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের আগে তাকে কেউ হুমকি-ধমকি দেয়নি। এ অবস্থায় কারা কেন তাকে হত্যা করেছে— এ বিষয়ে কোনো ধারণা নেই পুলিশের। তবে তদন্তে শিগগিরই হত্যার ক্লু উদঘাটন হবে বলে মনে করেন তিনি।

 

এদিকে মা নিহত হওয়ার খবর পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে গতকাল সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন মনোয়ারার বড় ছেলে ইকবাল ইবনে ইউসুফ। আজ আমেরিকা থেকে দেশে ফিরবেন মনোয়ারার ছোট ছেলে আরমান ইবনে ইউসুফ। তারা দেশে পৌঁছার পরই নিহত মনোয়ারার লাশ বনানীর সেনাকবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। লাশটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে।




up-arrow