Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ জুন, ২০১৬ ২৩:১০
র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন— ঢাকায় নজরুল ইসলাম (৪০) ও কামাল পারভেজ (৪২) এবং গাইবান্ধায় অজ্ঞাত ব্যক্তি (৩৫)। নিহতদের মধ্যে একজন জঙ্গি সদস্য রয়েছেন। অন্য দুজন নারী পাচার, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য।

গত বুধবার রাতে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার মালঞ্চা গ্রামে ‘চিহ্নিত জেএমবি সদস্য’ জাহাঙ্গীরের বাড়িতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাত এক জেএমবি সদস্য নিহত হয়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, জাহাঙ্গীরের বাড়িতে কয়েকজন জেএমবি সদস্য সংঘবদ্ধ হচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জেএমবি সদস্যরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থলে একজনের লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে গোলাবারুদসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাব-১ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ভোরে তুরাগের প্রত্যাশা ব্রিজের কাছে র‌্যাবের চেকপোস্টের সামনে দিয়ে মোটরসাইকেলে করে তিনজন যাচ্ছিল। র‌্যাব সদস্যরা তাদের থামতে বললে তারা মোটরসাইকেল না থামিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাদের চ্যালেঞ্জ করা হলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গুলিতে নজরুল ইসলাম নামে একজন মারা যান এবং বাকিরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। নিহত নজরুল নারী পাচার, অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য।

র‌্যাব-৩ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে রামপুরার বালুর মাঠ এলাকায় র‌্যাবের টহল টিমের সঙ্গে ছিনতাইকারীদের একটি গ্রুপের গুলি বিনিময়ে কামাল পারভেজ নামে একজন মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি রিভলভার ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। কামালের বাবার নাম কেনাই কাজী। নিহতের গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদীতে। তিনি উত্তরার আজমপুর এলাকায় থাকতেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow