Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১০ জুন, ২০১৬ ২২:৪৬
অশুভ লক্ষ্য অর্জনে গুপ্তহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক
অশুভ লক্ষ্য অর্জনে গুপ্তহত্যা

কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, অশুভ লক্ষ্য অর্জনের জন্যই কাপুরুষোচিতভাবে গুপ্তহত্যাগুলো ঘটানো হচ্ছে। আর বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া নগ্নভাবে, ঘোমটা খুলে নিয়েছেন খুনিদের রক্ষা করতে। যারা মারা গেছেন, তাদের পরিবারকে সমবেদনা না জানিয়ে খুনিদের তিনি প্রশ্রয় দিচ্ছেন। গতকাল বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে ১৪ দলের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সংগঠনের মুখপাত্র ঘোষণা দেন, দেশে চলমান গুপ্তহত্যার প্রতিবাদে ১৯ জুন বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দেশব্যাপী ১ ঘণ্টা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট। রমজানের পর গ্রামে-গঞ্জে ১৪ দল টিম করে লাগামহীনভাবে এসব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে গণজাগরণ তৈরি করবে। এ ছাড়া ১৪ জুন ঝিনাইদহে নিহত পুরোহিতের বাসায় যাবেন ১৪ দলের নেতারা। গতকালও বৈঠক শেষে ১৪ দলের নেতারা চট্টগ্রামে নিহত মিতুর স্বামী পুলিশ অফিসার বাবুল আক্তারের খিলগাঁওয়ের বাসায় যান এবং পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। সেখানে মোহাম্মদ নাসিম সাংবাদিকদের জানান, খুনিদের ধরতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। খুব শিগগিরই খুনি চক্র ধরা পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে নাসিম বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোয় শেখ হাসিনা যখন গুরুত্ব পাচ্ছেন; সৌদি আরবের বিষয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল, সে সৌদি আরবও শেখ হাসিনাকে যে মর্যাদা দিয়েছে, তাতে প্রমাণিত হয়েছে যে শেখ হাসিনা সরকার নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করেছে। আর দেশ যখন উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির দিকে এগোচ্ছে, শান্তির দ্বীপে পরিণত হতে যাচ্ছে। তখন সুপরিকল্পিতভাবে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়ামের এই সদস্য বলেন, খালেদা জিয়া বলেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা নাকি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর মাধ্যমে তিনি খুনিদের প্রকাশ্যে প্রটেকশন দিচ্ছেন। তার এ চরিত্র নতুন নয়। এর আগে তিনি এবং তার স্বামী যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে চেয়েছিলেন। যারা ভাবছেন এসব ঘটনার পর আমরা আপস করব, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কারণ শেখ হাসিনা আপস করেন না। এ বিষয়ে বৈঠকের সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, চিরুনি অভিযানে নাকি তাদের কর্মীদের ধরপাকড় করা হবে। কিন্তু বিএনপি তাদের প্রশ্রয় না দিলে তাদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর কবির নানক, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বি এম মোজাম্মেল হক, আফজাল হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, জাসদ (আম্বিয়া) নাজমুল হক প্রধান, জাসদ (ইনু) হাবিবুর রহমান শওকত, গণতন্ত্রী পার্টির নুরুর রহমান সেলিম, ডা. অধ্যাপক শহিদুল্লাহ সিকদার, ডা. শাহাদাৎ হোসেন, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, ন্যাপের এনামুল হক, ইসমাইল হোসেন, গণআজাদী লীগের এস কে সিকদার প্রমুখ।




এই পাতার আরো খবর
up-arrow