Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৩ জুন, ২০১৬ ২৩:০৯
নাইট ক্লাবে হামলা
এফবিআই নজরেই ছিল হামলাকারী
প্রতিদিন ডেস্ক
এফবিআই নজরেই ছিল হামলাকারী

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ওরল্যান্ডোতে সমকামীদের নাইটক্লাবে চালানো হামলাকারীকে আগে থেকেই চিনতেন এফবিআই কর্মকর্তারা। এফবিআই-এর ওরল্যান্ডো অফিসের কর্মকর্তা রন হপার রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ওমর মতিন এর আগে দুইবার তদন্তনাধীন ছিলেন। আর দুবারই তাকে নির্দোষ বলে ছেড়ে দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে প্রথমবার যখন তদন্ত করা হয়, তখন অভিযোগ ছিল, তিনি তার সহকর্মীদের সঙ্গে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন, তাতে মনে হয়েছিল, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। একই বছর এফবিআই কর্মকর্তারা ওমরের সঙ্গে মনির মোহাম্মদ আবুসালহার সম্পর্কের বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। মনির মোহাম্মদ আবুসালহা হলেন প্রথম মার্কিন নাগরিক, যিনি সিরিয়ায় বোমা হামলা চালান। তবে আবুসালহার সঙ্গে ওমর মতিনের কোনো বিশেষ যোগাযোগ এফবিআইয়ের নজরে আসেনি বলে জানান হপার। উল্লেখ্য, আবুসালহাও ফোর্ট পিয়ার্সে বসবাস করেন। যা ওমর মতিনেরও বাসস্থান। একই বছর দুইবার ওমর মতিনের ওপর তদন্ত চালানো হলেও তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বা মামলা ছিল না। আর তদন্তে ক্লিনচিট পাওয়ায় এফবিআই ওমরের বিষয়ে দ্বিতীয়বার আর ভাবেনি। স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ফ্লোরিডার ওরল্যান্ডো শহরের পালস নাইটক্লাবে ঢুকে গুলি চালান ওমর মতিন। তার সেই হামলায় ৫০ জন নিহত হন। আরও ৫৩ জন আহত হন। পরে পুলিশের গুলিতে সে নিহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, জরুরি সাহায্যের জন্য দেওয়া ৯১১ নম্বরে ফোন করে ওমর নিজেই ওই হামলার কথা জানান। ওমর মতিনের কাছে একটি রাইফেল, একটি পিস্তল এবং দুটি সন্দেহজনক যন্ত্র ছিল বলে পুলিশ জানায়। স্থানীয় সময় আনুমানিক ভোর ৫টার দিকে এসডব্লিউএটি-এর বিশেষ কমান্ডোরা জিম্মিদের মুক্ত করার জন্য অভিযান চালান। ওই অভিযানে ওমর মতিন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সঙ্গে ওমর মতিনের সরাসরি কোনো সংযোগের বিষয়ে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে পারেনি। তবে আইএস ওমরকে তাদের যোদ্ধা বলে দাবি করেছে। এএফপি




up-arrow