Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৫ জুন, ২০১৬ ২৩:১৬
তিন দলেই জাসদের ছড়াছড়ি
মন্ত্রী-এমপিসহ ডজন নেতা আওয়ামী লীগে । বিএনপিতে অর্ধশত নেতা । জাপায় তিন মহাসচিব
মাহমুদ আজহার, শফিকুল ইসলাম সোহাগ ও রফিকুল ইসলাম রনি
তিন দলেই জাসদের ছড়াছড়ি

দেশজুড়ে এখন চলছে জাসদ বিতর্ক। ’৭৫-এর পূর্বাপর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। যেই দলের নেতারা এখন প্রশ্ন তুলছেন সেই আওয়ামী লীগেই এখনো জাসদের ডজনেরও বেশি নেতা রয়েছেন। এর মধ্যে একজন মন্ত্রীও আছেন। এমপি রয়েছেন চারজন। বিএনপিতেও জাসদের ছড়াছড়ি। দলের অর্ধশত নেতা রয়েছেন, যারা একসময় জাসদের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তারা দলে এখন প্রভাবশালী নেতা। জাতীয় পার্টিতেও জাসদের সংখ্যা কম নয়। বর্তমান ও সাবেক তিন মহাসচিবই জাসদের। কার্যত জাপার শীর্ষস্থানীয় নেতারাই জাসদের। তিন দলের অঙ্গসংগঠনেও সরব জাসদ ছাত্রলীগের একসময়ের ডাকসাইটে নেতারা। তবে দলত্যাগী ওইসব নেতা এখন সমালোচনায় মুখর।

জাসদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে একসময়ের জাসদ নেতা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করে তাহলে জাসদকে ক্ষমতার অংশীদার হিসেবে রাখতে পারে না। কারণ ১৫ আগস্টের ঘটনার প্রেক্ষাপট জাসদই তৈরি করেছিল।’ তিনি বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজাতে চেয়েছিলেন আওয়ামী লীগের দুর্ভাগ্য, তারাই আজ ফ্রন্ট লাইনে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ মূলত শত্রুর সঙ্গেই বসবাস করছে।’

একসময়ের জাসদ নেতা ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মূল্যায়ন হলো, ‘রাজনীতিতে কেউ কারও স্থায়ী শত্রু নয়। এটাই রাজনীতির পলিসি। পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও দেশ-জনগণের কথা চিন্তা করে শত্রুর সঙ্গেও বসতে হয়। একসঙ্গে খেতে হয়। পৃথিবীতে এ নিয়মই চলে আসছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জাসদ সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, তার জায়গা থেকে ঠিকই করেছেন। তিনি ভিকটিম। তার ভিতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার দৃষ্টিভঙ্গি ঠিকই আছে।’ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক শফি আহমেদ বলেন, ‘আমি নিজে একজন জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হিসেবে মনে করি, অতীতের ভুলভ্রান্তি যাই থাকুক না কেন, এ মুহূর্তে সেসব বিতর্কে না জড়িয়ে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যের প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে, কিন্তু জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী দেশকে পিছিয়ে দিতে চায়। তাই এখন ঐক্য দরকার।’

মন্ত্রী-এমপিসহ ডজন নেতা আওয়ামী লীগে : একসময়ের জাসদ নেতা শাজাহান খান আওয়ামী লীগ সরকারের নৌপরিবহনমন্ত্রী। আখতারুজ্জামান কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক। আওয়ামী লীগ থেকে এমপি হয়েছেন নেত্রকোনা-৫ আসনে ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীক, টাঙ্গাইল-৬ আসনে আবদুল বাতেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে গোলাম রব্বানী। কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক শফি আহমেদ। নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন আশরাফ আলী খান খসরু, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা সেলিমও একসময় জাসদের রাজনীতি করতেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন জাতীয় মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশন জাহান সাথী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম শাহরিয়ারও ছিলেন জাসদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পরিবহন শ্রমিক নেতা শাজাহান খান মুক্তিযুদ্ধের আগে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের মাদারীপুর মহকুমার সভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুজিববাহিনীতে যোগ দেন। স্বাধীনতার পর জাসদ সৃষ্টি হলে তিনি তাতে যুক্ত হন। একবার জাসদ থেকে এমপিও নির্বাচিত হয়েছিলেন শাজাহান খান। বাবা মাওলানা আছমত আলী খান ছিলেন মাদারীপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ১৯৯১ সালে শাজাহান খান জাসদ ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি নৌপরিবহনমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আখতারুজ্জামান। তিনি এখন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসকও। সাবেক ডাকসু ভিপি আখতারুজ্জামান ১৯৭২ সাল থেকে জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত। ’৭৩ সালে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। পরে দুবার ডাকসু জিএস ও একবার ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। ’৯২ সালে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এখন কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য। শফি আহমেদ ১৯৮৮ থেকে ’৯২ সাল পর্যন্ত জাসদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালে ‘জনতার মঞ্চ’-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগে যুক্ত হন। একই বছর ১২ আগস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। কেন্দ্রীয় কমিটিতে পর্যবেক্ষক ও পরে সহ-সম্পাদক। ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ থেকে নেত্রকোনা-৪ আসনে মনোনয়ন পান। জরুরি অবস্থার কারণে সে নির্বাচন হয়নি।২০০৬ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কানসাট আন্দোলনের নায়ক গোলাম রব্বানী। তিনি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। গোলাম রব্বানী একসময় জাসদ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। ২০০৬ সালে কানসাট আন্দোলনের পর তিনি গণফোরামে যোগ দেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের যোগদান করে এখন এমপি।

আশরাফ আলী খান খসরু নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির মধ্য দিয়ে। পরে তিনি আওয়ামী লীগ রাজনীতি ছেড়ে জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত হন। বেশ কিছু সময় জাসদ করার পর আবার আওয়ামী লীগে ফেরেন। ২০০৪ সালের সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে এমপি নির্বাচিত হন। নেত্রকোনা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের এমপি ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল বীরপ্রতীক। তিনি কর্নেল তাহেরের ছোট ভাই। একসময় জাসদের তুখোড় নেতা ছিলেন। এরপর জাসদ ছেড়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং আওয়ামী লীগের টিকিটে দুবার এমপি নির্বাচিত হন।

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ কামরুজ্জামান টুকু। তিনি একসময় জাসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জাসদ ভাগ হওয়ার পর আ স ম আবদুর রব গ্রুপের জাসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। নব্বইয়ের পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। এরপর ২০০৫ সালের ৭ এপ্রিল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে ভোট ছাড়াই আবারও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল হুদা সেলিমও একসময় জাসদ করতেন। তিনি ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।

শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম এ ওয়ারেস নাঈম। তিনি একসময় জাসদের সক্রিয় নেতা ছিলেন। প্রায় ১৫ বছর আগে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। জেলা সহ-সভাপতির পাশাপাশি ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। জাসদের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক রওশন আরা সাথী এখন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন জাতীয় মহিলা শ্রমিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক শামীম শাহরিয়ার একসময় জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) বর্তমানে নাগরিক ঐক্যের নেতা কারারুদ্ধ মাহমুদুর রহমান মান্না একদা আওয়ামী লীগে ছিলেন। এর আগে তিনি জাসদ করতেন। পরে বাসদ হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট রেজাউল করীম মন্টু ও অ্যাডভোকেট আবদুল মতিনও জাসদের রাজনীতি করতেন।

বিএনপিতে সক্রিয় অর্ধশত নেতা : দেশের অন্যতম প্রধান দল বিএনপিতে এখনো সক্রিয় জাসদের সেই অর্ধশত নেতা। দলের স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায়ও একসময় জাসদে ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল শাখার নেতা ছিলেন। বিএনপি আমলের সাবেক মন্ত্রী শাজাহান সিরাজও জাসদের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। অবশ্য তিনি এখন আর বিএনপির রাজনীতিতে নেই। তবে তার স্ত্রী রাবেয়া সিরাজ এখনো বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। তিনিও জাসদের কেন্দ্রীয় নেত্রী ছিলেন।

জানা যায়, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির টিকিটে জাসদের অর্ধশত এমপি নির্বাচিত হন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও এমপি হয়েছেন তারা। অবশ্য এরই মধ্যে কয়েকজন মারাও গেছেন। আবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে কেউ কেউ বর্তমানে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রয়েছেন। বিএনপি আমলের স্পিকার মরহুম শেখ রাজ্জাক আলীও একসময় জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। বিএনপির অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। জাসদ ছাত্রলীগেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। সিলেট বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াৎ হোসেন জীবনও জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। সুনামগঞ্জের জাসদের এমপি কলিমউদ্দিন মিলন এখন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক। একসময় তিনি জাসদ ছাত্রলীগের ডাকসাইটে নেতা ছিলেন। বরিশালের সাবেক এমপি বিএনপির নির্বাহী কমিরি সদস্য আবুল হোসেন খানও জাসদ করতেন। চাকসুর সাবেক ভিপি জি এম ফজলুল হকও জাসদ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। টাঙ্গাইলের সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী এবং লুত্ফর রহমান খান আজাদও একসময় জাসদের রাজনীতি করতেন। বর্তমানে তারা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। ফেনী কলেজের ভিপি জয়নাল আবেদীনও জাসদের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। এখন তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলও একসময় জাসদ ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে বিএনপির অনেক নেতাই একসময় জাসদের রাজনীতি করতেন।

জাপার তিন মহাসচিবই জাসদের : সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির নেতৃত্বের একটি বড় অংশ জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল—জাসদের একসময়ের নেতারা। জাতীয় পার্টির বর্তমান মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ছিলেন জাসদ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দুই মেয়াদে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন তিনি। সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু একসময় জাসদ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। জাসদ থেকে বাসদ। বাসদ থেকে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব এ বি এম শাহজাহানও ছিলেন জাসদ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির সঙ্গে যুক্ত নন। জানা গেছে, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আজম খান, বর্তমান এমপি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের নোমান মিয়া ও বগুড়া-২ আসনের শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আলম মাস্টার, আবদুস সাত্তার মিয়া, দলের যুগ্ম মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, দিদারুল আলম দিদার, গোলাম মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ই আযম জাসদ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ ছাড়াও মুন্সীগঞ্জের জামাল হোসেন, নোয়াখালীর ফজলে এলাহী, চট্টগ্রামের মাজহারুল হক জাসদ থেকে জাতীয় পার্টিতে এসে এমপি হয়েছিলেন। বগুড়া সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম জাকারিয়া খানও জাসদ ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন।




up-arrow