Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৫ জুন, ২০১৬ ২৩:২০
এবার কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা মাদারীপুরে
একজন আটক আগের হামলার সঙ্গে মিল রয়েছে : পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল ও মাদারীপুর প্রতিনিধি
এবার কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা মাদারীপুরে

টার্গেট কিলিং স্টাইলে এবার মাদারীপুর সরকারি নাজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে শিক্ষকের চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে ঘাতকরা পালাতে থাকে। এ সময় তিন ঘাতকের একজন ধরা পড়ে। গতকাল বিকালে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ওই কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক রিপন চক্রবর্তী কলেজের পেছনেই সোবাহান মুন্সির বাড়িতে ভাড়া থাকেন। গতকাল বিকাল ৫টার দিকে ওই বাড়ির কলিংবেল টিপে দরজায় নক করে তিন দুর্বৃত্ত। শিক্ষক রিপন দরজা খুলতেই তারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। এ সময় শিক্ষকের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা দৌড়ে পালাতে থাকে। এ অবস্থায় স্থানীয়রা একজনকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে পুলিশ ও র‌্যাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। জানা গেছে, লোকজনের হাতে ধৃত প্রিন্স ফয়জুল্লাহ ঢাকা উত্তরার একটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। তার পিতা গোলাম ফায়জুল্লাহ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। পরিবারসহ ফায়জুল্লাহ ঢাকার উত্তরায় থাকে। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, হামলাকারীরা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক কলেজ ছাত্র নিজেকে প্রিন্স ফাইজুল্লাহ পরিচয় দিয়েছে। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে একাধিক নামও বলেছে। এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সরকারি নাজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ হিতেন চন্দ্র মণ্ডল জানিয়েছেন, ওই শিক্ষকের অবস্থা গুরুতর। প্রসঙ্গত, মাদারীপুর সদর থানার ৩০০ গজের মধ্যেই এ হত্যা চেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে। পাশাপাশি ঘটনাটি এমন সময় ঘটেছে যখন দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জঙ্গিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানও চলছিল।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ : সন্ধ্যারাতে সর্বশেষ সংবাদ লেখা পর্যন্ত আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল। এ সময় মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমার পাল, এএসপি মনিরুজ্জামান ফকির, সদর থানার ওসি জিয়াউল মোর্শেদ, মাদারীপুর ডিবির ওসি কামরুল হাসানসহ একাধিক প্রশাসনের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের ফলাফল সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক কিছু জানানো হয়নি।




up-arrow