Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ১৯ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ১৮ জুন, ২০১৬ ২২:৪১
দিন দিন বাড়ছে শিক্ষিত বেকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
দিন দিন বাড়ছে শিক্ষিত বেকার

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, “বাংলাদেশে বেকার সমস্যা মহা-সমস্যা হিসাবে বিরাজ করছে। দিনে দিনে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। বেকারের পরিসংখ্যান নিয়ে সরকার ‘মিথ্যা’ তথ্য দিচ্ছে। নানা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরও দেশে ভিক্ষাবৃত্তি বাড়ছে। লাখ লাখ লোক বস্তিতে বসবাস করছে। বড় একটি অংশই সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের বাইরে রয়েছে। তাদের সামাজিক সুরক্ষার বলয়ে নিয়ে আসতে হবে।” গতকাল দুপুরে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘প্রান্তজনের সামাজিক সুরক্ষা : অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আকবর আলি খান। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এই গোলটেবিল অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারপারসন হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আতিকুর রহমান, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ডায়লগের মহাসচিব ড. এস এম মোর্শেদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, ন্যাশনাল ডিবেট ফেডারেশনের মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান খান প্রমুখ। ড. আকবর আলী খান বলেন, ‘এখনো প্রান্তিক জনগোষ্ঠী অনিরাপদ পানি, আর্সেনিক এবং লবণাক্ততার সমস্যার সম্মুখীন। দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সামাজিক সুরক্ষা বলয়ে আনা এখনো সম্ভব হয়নি। দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে আমাদের আত্মতুষ্টির অবকাশ নেই। সার্কভুক্ত অন্য ৫টি দেশের পরে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যা নিয়ে উল্লাস করার কোনো ভিত্তি নেই বলে আমি মনে করি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই সরকারই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে গুরুত্ব দিয়েছে। তবুও এখনো এ কর্মসূচি পুরোপুরি সফল হয়নি। সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি ১৯৯৬ সালে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর এ কর্মসূচির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর কার্যক্রম শুরু করে।’  ড. আকবর আলি বলেন, ‘যেসব খাতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সফল হয়েছে এবং যেসব খাতে সফল হয়নি সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। বাংলাদেশে কত লোকের সামাজিক সুরক্ষা প্রয়োজন সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রয়োজন। বেকার ও প্রান্তজনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। একমাত্র সরকারের পক্ষেই সামাজিক সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে।’




up-arrow