Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ জুন, ২০১৬ ০১:১৫
ব্রিটেনের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
ইইউতে থাকা না থাকা নিয়ে ভোটগ্রহণ শেষ
প্রতিদিন ডেস্ক
ব্রিটেনের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ‘থাকছে কি থাকছে না’ নির্ধারণে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সেখানকার রেকর্ডসংখ্যক মানুষ যোগ দিচ্ছেন ভোটে। গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর নাগাদ ফলাফল ঘোষণা হলে কেটে যাবে উদ্বেগপূর্ণ দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর। ইইউতে তাদের থাকা না থাকার সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হবে পুরো বিশ্বের কাছে। জানা যাবে ব্রিটেনের নাগরিক ও রাজনীতির ভবিষ্যৎ। বিশ্লেষকরা বলছেন, গণভোটের ফল যা-ই হোক, ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাক বা না থাক, এই ভোটের প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। ব্রিটেনের আগামী প্রজন্ম, আগামী দিনের রাজনীতিও হয়তো পাল্টে দেবে এই ভোট। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর তথ্যানুসারে, ব্রিটিনের স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় শুরু হয়ে টানা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। রেকর্ডসংখ্যক মানুষ যোগ দিয়েছে এই ভোট উৎসবে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ব্রিটিশ, আইরিশ ও কমনওয়েলথ নাগরিকদের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বা এর বেশি এবং বিদেশে অবস্থানরত যুক্তরাজ্যের যেসব নাগরিকের নাম অন্তত ১৫ বছর ধরে ভোটার তালিকায় আছে, তারা এই গণভোটে অংশ নিতে পারছেন। ৪০ হাজার কেন্দ্রে ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৭ জন ভোটার দিচ্ছেন ভোট। ভোট গণনা হবে ৩৮২টি কেন্দ্রে। ফল ঘোষণা হবে ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকে। রাতভর আলাদাভাবে উপকেন্দ্রগুলোতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। সব আঞ্চলিক ফলাফল প্রধান গণনাকারী কর্মকর্তার দ্বারা নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে না। শেষে জাতীয় ফলাফল ঘোষণা করা হবে উত্তর ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার টাউন হলে। জানা যায়, ২৮ জাতির ইইউ জোটের সঙ্গে চার দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন পথে হাঁটার প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের এই গণভোটকে সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘ব্রেক্সিট’। ৪১ বছর আগে ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটিতে (ইইসি) যোগ দেওয়ার প্রশ্নে গণভোটে ৬৭ শতাংশ পক্ষে ভোট দিয়েছিল। ইইসি পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন—ইইউতে রূপ নেয়। এখন ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে যারা প্রচার চালাচ্ছেন, তাদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে অভিবাসনের বিষয়টি। এর সমর্থকদের ‘ভোট লিভ’-এর প্রচারকরা অভিবাসীদের ব্রিটেনে আসা বন্ধ করতে চায়। বিশেষ করে ইউরোপ থেকে কেউ যাতে অবাধে যুক্তরাজ্যে এসে বসবাস করতে না পারে, সেদিকেই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন তারা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow