Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৪৮
ধর্মীয় শিক্ষা ও মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো দুর্বল
—অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন
ধর্মীয় শিক্ষা ও মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো দুর্বল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামালউদ্দিন বলেন, আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা, পারিবারিক বন্ধন ও মনস্তাত্ত্বিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ছে। গুলশান হত্যাকাণ্ডে যারা অংশ নিয়েছে, তারা কেন মটিভেটেড হলো, কীভাবে হলো এটা তারাই সবচেয়ে ভালো বলতে পারত। কিন্তু সেটি তো জানার উপায় নেই। কারণ তারাও নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের সমাজকাঠামো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। বাবা-মায়েরা ছেলেমেয়েদের সময় দিতে পারে না। যতটুকু সময় দেওয়া হয় তা যথেষ্ট নয়। ফলে ছেলেমেয়েরা একাকিত্ব বোধ করে। শুধু তা-ই নয়, আমরা সাংস্কৃতিক চর্চা থেকেও সরে আসছি। শুধু পড়াশোনায় মনোনিবেশ করার জন্য ছেলেমেয়েদের ব্যস্ত রাখা হচ্ছে। ফলে তরুণদের মধ্যে যে এক ধরনের শক্তি রয়েছে, এর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। এতে জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী তরুণদের টার্গেট করে তাদের ওই শক্তিটাকে বিপথে ব্যবহার করছে।

কামাল উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে একটা সুন্দর ব্যবস্থাপনা থাকা দরকার। শুধু শতভাগ শিশুকে স্কুলগামী করে শিক্ষার হার বাড়িয়ে আত্মতৃপ্তিতে না ভুগে তরুণদের প্রকৃত শিক্ষা দিতে হবে। এ মুহূর্তে একটা জরিপ হওয়া দরকার, ঢাকাসহ সারা দেশে কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে কী হচ্ছে। কী পড়ানো হয়। কতটুকু পড়ানো হয়। আর কতটুকু সময় ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে। স্কুল-কলেজগুলোতে খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা রয়েছে কতটুকু। এসব বিষয় আমলে নিয়ে প্রয়োজনে সংস্কার করতে হবে। সর্বোপরি এখানে সরকারের নজরদারি বাড়াতে হবে। আর পারিবারিক বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে হবে। এসব জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow