Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৬ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৩৯
নাটোর ময়মনসিংহে নিখোঁজ ৫১ যুবক
প্রতিদিন ডেস্ক

নাটোর ও ময়মনসিংহে বিভিন্ন সময়ে ৫১ জন নিখোঁজ হয়। নাটোর প্রতিনিধি জানান, নাটোরে বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ হয়েছে মোট ৪৪ জন। জেলার সাতটি থানার মধ্যে নাটোর সদর উপজেলায় ২১ জন, লালপুরে ১৪ জন, নলডাঙ্গায় ছয়জন এবং সিংড়ায় তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। এ ব্যাপারে নাটোরের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জি জানান, ২০১৫ এবং চলতি ২০১৬ সালে জেলার চারটি উপজেলার নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এখন বড়াইগ্রাম, বাগাতিপাড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলার নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। হারিয়ে গেলে বা নিখোঁজ হলে সাধারণত পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করা হয়। নিখোঁজ এই ৪৪ জনের মধ্যে ২৮ জনের নামে জিডি করা হয়েছে। নাটোর এবং লালপুর উপজেলার মোট ১৬ জন নিখোঁজ হওয়ার পরও তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো জিডি করা হয়নি। পুলিশ বিভাগই তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করে তালিকাভুক্ত করেছে। নিখোঁজ হওয়া ব্যক্তিদের বয়স ভিন্ন ভিন্ন হলেও ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা ২০ জন। এদের প্রত্যেকের ব্যাপারেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে তারা কেন এবং কী কারণে বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়েছে। তারা কোথায় থাকতে পারে পুলিশ বিভাগ খতিয়ে দেখছে। এদের মধ্যে কারও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা এখনো পাওয়া যায়নি, তবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা বিভিন্ন সময়ে নিখোঁজ হয়ে গেছে এবং তারপর থেকে আর পরিবারের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। ওই সব নিখোঁজ ব্যক্তি আদৌ বেঁচে আছে কিনা তাদের স্বজনরা তাও বলতে পারছেন না। তাদের খুঁজে বের করার জন্য তারা পুলিশ বিভাগের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।  

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের ৫ উপজেলায় ৭ যুবক রয়েছে নিখোঁজের তালিকায়। প্রায় দেড় বছর ধরে এরা নিখোঁজ রয়েছে বলে জানায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ইতিমধ্যে নিখোঁজ পরিবারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, নিখোঁজদের সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তালিকা তৈরি করে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) নূরে আলম জানান, এরা কী কারণে নিখোঁজ রয়েছে বা আদৌ তাদের মধ্যে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত নয় পুলিশ। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জেলার ফুলবাড়িয়ায় ৩ জন, ভালুকা, গফরগাঁও,  ধোবাউড়া, হালুয়াঘাটে একজন করে নিখোঁজ রয়েছে। এরা হলো— ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোরবাড়িয়া মণ্ডলবাড়ি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (২৮), ভবানীপুর টানপাড়া গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৬) ও একই উপজেলার কৈয়ারচালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের রফিজ উদ্দিনের ছেলে নায়েদুল্লাহ (১২)। গফরগাঁও থানার ধামাইল গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ফরহাদ মিয়া (১৬)। ধোবাউড়া উপজেলার গোপীনপুর (দরগা শরিফ) গ্রামের রোকন উদ্দিনের স্ত্রী মোছা. সাপিয়া খাতুন ও তার ছেলে মুজাহিদুর রহমান (১৩) নিখোঁজ রয়েছেন।

এ ছাড়াও শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার বড়গজনী গ্রামের মুমিত চন্দ্র সাংমার ছেলে রাজেশ কুবি (২৪) নিখোঁজ হওয়ার পর ভালুকা মডেল থানায় ১৮ এপ্রিল একটি জিডি করা হয়। তারা ভালুকায় অস্থায়ীভাবে ভাড়া বাসায় থাকত।

হালুয়াঘাট উপজেলার আকনপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন সাহার দায়ের করা জিডিতে জানা যায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানার আবদুর রহমান যতি (২৮) নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow