Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ জুলাই, ২০১৬ ২৩:০৯
জঙ্গিদের রক্ত ও চুলের নমুনা যাচ্ছে এফবিআইতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারী নিহত জঙ্গিদের রক্ত ও চুলের নমুনা এফবিআইতে পাঠানো হবে। এফবিআইতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে দ্বিতীয় দফায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গতকাল সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগের একটি চিকিৎসক দল এই নমুনা সংগ্রহ করে। এদিকে নিহত জঙ্গিদের লাশ নিজেদের সন্তান দাবি করে নিতে চাইলে মা-বাবাকে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলাকারীরা নেশা জাতীয় কোনো ওষুধ সেবন করেছিল কিনা তা নিশ্চিত হতে নিহতদের রক্ত ও চুলের নমুনা চেয়েছে এফবিআই। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের প্রতিনিধি দল সিএমএইচে যায়। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, গুলশানে নিহত জঙ্গিদের রক্ত ও চুলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিহত প্রত্যেকের হার্টের কাছাকাছি থেকে ১০ মিলিলিটার, হাত-পা থেকে ১০ মিলিলিটার রক্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মাথার সামনে থেকে ১০টি, পেছনে থেকে ১০টি, মাথার ডান ও বাম পাশ থেকে ১০টি করে চুল সংগ্রহ করা হয়। এগুলো প্রিজার্ভ করে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে পাঠানো হবে। তাদের মাধ্যমে নমুনা এফবিআইতে যাবে। ময়নাতদন্তের সময়ই ছয়জনের রক্ত, দাঁত ও ঊরুর মাংস সংগ্রহ করা হয়েছিল। মৃতদের দেহ থেকে পাঁচ মিলিলিটার রক্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা আরও ২০ মিলিলিটার রক্ত ও নমুনা চাওয়ায় এই নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ : কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলা মামলার আসামি জাহিদুল হক তানিমের ডিএনএ পরীক্ষার আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুর্শেদ জামানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ. ছালাম খান এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থান থেকে বস্তুগত যেসব আলামত ইতিপূর্বে সংগ্রহ করা হয়েছে, সেগুলো আগেই ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সে কারণেই আসামি তানিমেরও ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন। পরে সেগুলোর সঙ্গে তানিমের ডিএনএ রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা হবে। ঈদের দিন শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে তানিমকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow