Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৪৮
সুন্দরবন হত্যার এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক
সুন্দরবন হত্যার এই পরিকল্পনা বাংলাদেশের নয়
ড. এমাজউদ্দীন আহমদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, সুন্দরবন হত্যা করে বিদ্যুকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা দেশের বাইরে থেকে করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কেউ জেনেশুনে এই ক্ষতি করবে— তা বিশ্বাস করা যায় না। সুন্দরবন হত্যার পরিকল্পনা বাংলাদেশের নয়।

সুন্দরবনের যে এত ক্ষতি হচ্ছে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরোপুরি জানেন না। তিনি জানলে এত বড় ক্ষতি হতে দিতেন না। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘সুন্দরবন একটাই : সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ তোশারফ আলী, বাপার সাধারণ সম্পাদক ড. আবদুল মতিন, আইনজীবী হুমায়ুন কবির বুলবুল প্রমুখ। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিএইচআরএমের নির্বাহী প্রধান মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদ। ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, সুন্দরবন বাংলাদেশের জন্য অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। অনেক ঝড়ঝাপটা থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বাঁচিয়েছে। তিনি বলেন, রামপালের কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুেকন্দ্র প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব কোনো বাংলাদেশিকে নয়, দেওয়া হয়েছে ভারতের একজনকে। এই বিদ্যুেকন্দ্রের পরিকল্পনাও আমাদের দেশের কারও করা নয়। আগস্ট মাসের মধ্যে সুন্দরবনের প্রকৃত ক্ষয়-ক্ষতি হিসাব করে জাতির সামনে তুলে ধরতে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান এমাজউদ্দীন আহমদ। পাশাপাশি বিদ্যুেকন্দ্র সরিয়ে অন্য জায়গায় স্থাপনেরও আহ্বান জানান তিনি। প্রবন্ধে বলা হয়, সুপার ক্রিটিক্যাল পদ্ধতিতে রামপাল বিদ্যুেকন্দ্র পরিচালনার ফলে শতকরা ১২ ভাগ দূষণ কম হবে। সরকার এমন দাবি করলেও ৮৮ ভাগ দূষণের কথা বলছে না। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে ওই এলাকার শতভাগ পানি, ২০ ভাগ বাতাস এবং ৬৫ ভাগ মাটি দূষণের শিকার হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow