Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৫ জুলাই, ২০১৬ ২৩:২৮
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একাত্তরের মতো গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। গতকাল ঢাবিতে ‘প্রিয় বাংলাদেশ, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক এক মানববন্ধন থেকে তিনি এ আহ্বান জানান।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার’ আয়োজিত এই মানববন্ধনের ব্যাপ্তি ছিল নীলক্ষেত মোড় থেকে শুরু করে স্মৃতি চিরন্তন, ফুলার রোড, টিএসসি, চারুকলা অনুষদ, বাংলা একাডেমি, এনেক্স ভবন, শহীদুল্লাহ হল, দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষা ভবন পর্যন্ত। বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সিনেট সদস্য, সিন্ডিকেট সদস্য, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ হাজার হাজার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করে। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইমদাদুল হক, শিক্ষক নেতা অধ্যাপক এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া, সিন্ডিকেট সদস্য বাহালুল মজনুন চুন্নু, নীলিমা আক্তার প্রমুখ। উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আমরা কখনো জঙ্গিবাদ মেনে নিইনি এবং নিব না। এটা বার বার প্রমাণিত হয়েছে যে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। তাই জঙ্গিবাদ দমন করতে একাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে যেমন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল; ঠিক তেমনি এদেশের জনগণকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, গুলশানে জঙ্গিরা খাবার টেবিলে বিদেশিদের হত্যা করেছে। এর চেয়ে নৃশংস ঘটনা আর কিছু হতে পারে না। যে বাঙালি সারা বিশ্বে অতিথিপরায়ণ হিসেবে পরিচিত সেই বাঙালির দেশে এসে বিদেশিরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে তা মেনে নেওয়া যায় না।   উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশের জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জড়িত। তারা নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এ দেশে জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণেই ঢাবি গত বছর পাকিস্তানের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে। আরেফিন সিদ্দিক বলেন, জঙ্গিবাদ বিষয়ে ঢাবি প্রশাসন সব সময় কঠোর। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথাও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড দেখা গেলে অথবা কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে যদি জঙ্গি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাত্ক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow