Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ২৩:২১
পুলিশের তালিকায় এখনো নিখোঁজ ৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে এখনো ৪০ জনের মতো নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) এ কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেন, আগে র্যাব একটি নিখোঁজ তালিকা প্রকাশ করেছিল, এসবিও একটি তালিকা তৈরি করেছে।

কিন্তু আমরা সেসব তালিকা নিয়ে যাচাই-বাছাই করলেও কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করিনি। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর আমরা জানতে পেরেছি, সারা দেশে নিখোঁজের সংখ্যা ৪০ জন। এই নিখোঁজদের অধিকাংশই জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গতকাল দুপুরে পুলিশ সদর দফতরে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণেই এরা নিখোঁজ হয়েছে কিনা প্রশ্নে পুলিশপ্রধান বলেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নিখোঁজ হওয়ার আগে এদের চালচলন পরিবর্তনের বিষয়ে যে তথ্য আমরা পেয়েছি তাতে ধারণা হচ্ছে, জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণেই তারা নিখোঁজ হয়েছে। কারণ এ ৪০ জনের অনেকেই নিখোঁজ হওয়ার পর ফোন কিংবা এসএমএসে পরিবারকে জানিয়েছে তারা ভালো আছে। নিখোঁজদের অনেকে আবার ফিরে এসেছে। সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জে নিহত তিন জঙ্গির নাম-পরিচয় ঘোষণা করেন আইজিপি। এ তিনজনের একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরী, তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে। অন্য দুজন হলেন- যশোর সদরের কাজী ফজলে রাব্বী এবং রাজধানীর ধানমন্ডির তাওসিফ হোসেন। সাম্প্রতিক জঙ্গিবিরোধী অভিযানগুলো সাজানো বলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যকে দুঃখজনক উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, পুলিশের অভিযানে কোনো অস্পষ্টতা ছিল না। বিএনপি চেয়ারপারসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, তদন্ত করে দেখতে পারেন ঘটনা সাজানো কিনা। এ সময় আইজিপি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জজ মিয়া নাটকের সমালোচনা করেন। এসপি বাবুল আক্তারের পদত্যাগের বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে দেখছেন কিনা, জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, বাবুল আক্তার ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। আইজিপি বলেন, ২০১৩ সালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পুলিশ ও গোয়েন্দারা স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি। এ সুযোগে জঙ্গিরা সংঘবদ্ধ হয়েছে। এ ছাড়া ফেসবুক, ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তারা মোটিভেটেড এবং সংগঠিত হয়। তবে পুলিশ এখন বুঝতে পেরেছে তারা কীভাবে সংগঠিত হয়, মোটিভেটেড হয়। আশা করছি, এ ধরনের মোটিভেটিং কার্যক্রম আর বাড়বে না। বিপথগামী তরুণরা ফিরে এলে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও তিনি জানান।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow