Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩১ আগস্ট, ২০১৬ ২৩:২২
ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগোচ্ছে পোশাকশিল্প
আমির হোসেন আমু
নিজস্ব প্রতিবেদক
ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগোচ্ছে পোশাকশিল্প

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিদেশি ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তা মোকাবিলা করেই আমাদের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্প স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রবীণ এই রাজনীতিক আরও বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহত্ রপ্তানি খাত হিসেবে ইতিমধ্যে উন্নীত হয়েছে। সরকারের উপযুক্ত নীতি সহায়তা ও উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টায় সব বাধা পেরিয়ে আরও এগিয়ে যাবে দেশের পোশাকশিল্প।

গতকাল রাজধানীর কুড়িলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিউশন ম্যানেজমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেস লিমিটেড—সেমস গ্লোবাল আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘১৭তম টেক্সটেক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো-২০১৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি। আরও বক্তব্য দেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি, ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র প্রথম সহসভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, বিকেএমইএ প্রথম সহসভাপতি এস এম আসলাম সানি ও সেমস গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট মেহেরুন এন ইসলাম। শিল্পমন্ত্রী বলেন, তাজরীন গার্মেন্ট ও রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিল করা হয়। আমরা ইতিমধ্যে এ সুবিধা ফিরে পেতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সব শর্ত পূরণ করেছি।

উদ্বোধনের পরই দেশি-বিদেশি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে জমে উঠেছে টেক্সটেক এক্সপো। বস্ত্র ও পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও তাদের প্রতিনিধিরা এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিত্যনতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছেন বলে মনে করেন আয়োজকরা। তারা জানিয়েছেন, প্রদর্শনী চলবে আগামী শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এই প্রদর্শনী নয়। এতে ২৩ দেশের প্রায় ১ হাজার ৫০টি প্রতিষ্ঠান পোশাক ও বস্ত্র খাতের অত্যাধুনিক সব মেশিনারিজ, কেমিক্যাল, এক্সেসরিজ, ফেব্রিক্সসহ সব ধরনের প্রযুক্তি ও উপাদানের সম্ভার নিয়ে অংশ নিয়েছে। প্রতিবেশী ভারতের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, টেক্সপ্রোসিল এবং ক্যামেকসিলসহ খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোও অংশ নিয়েছে। প্রদর্শনী প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়— বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর পণ্য সাজিয়ে বসে আছেন তাদের কর্মীরা। আইসিসিবি’র চারটি হল ছাড়াও আরও ৯টি প্যাভেলিয়ন তৈরি করা হয়েছে। মনোমুগ্ধকর এসব স্টলে সাজানো আন্তর্জাতিক মানের পণ্যগুলো ভোক্তা, দর্শক ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি যুগোপযোগী প্লাটফর্ম।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow