Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৩
অভিবাসন ইস্যুতে সরগরম মার্কিন নির্বাচনী মাঠ
প্রতিদিন ডেস্ক
অভিবাসন ইস্যুতে সরগরম মার্কিন নির্বাচনী মাঠ

একগুঁয়েমি,বেফাঁস মন্তব্যের জন্য ইতিমধ্যে গণমাধ্যমের শিরোনাম ধরে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন নিয়ে এবার শক্ত অবস্থান ঘোষণা দিলেন তিনি। বিশেষ করে ১ কোটি ১০ লাখ অভিবাসীকে তিনি নির্বাচিত হলেই বের করে দেবেন। এসব অভিবাসীকে সন্ত্রাসী হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১ ঘণ্টায় কয়েক লাখ মানুষকে বের করে দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। তাদের জন্য কোনো সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প এজন্য একটি ‘স্পেশাল ডিপোর্টেশন ফোর্স’ সৃষ্টির ঘোষণা দেন।

এদিকে ট্রাম্প দুই দিন আগে পরশু মেক্সিকো সফর করেছেন। সেখানেই ঘোষণা দিয়েছেন মেক্সিকোর সঙ্গে তার দেশের সীমান্ত দেয়াল হবে এবং এর পুরো খরচ বহন করবে অবশ্যই মেক্সিকো। ট্রাম্প বলেন, এ দেয়াল নির্মাণ করতে হবে মেক্সিকোকে এবং এর শতভাগ ব্যয়ভার বহন করতে হবে তাদেরই।

গত পরশু যুক্তরাষ্ট্রের ফিনিক্সে অভিবাসন বিষয়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন ট্রাম্প। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে ঘায়েল করতে ছাড়েননি। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, বারাক ওবামা যেসব ‘অসাংবিধানিক নির্বাহী আদেশ’ জারি করেছেন তার সব তিনি বাতিল করবেন। এ সময় তিনি ওবামাকে ‘দুর্বল ও বোকা’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের কারণে ঝুঁকিতে থাকা আমেরিকানরা চাকরি পাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেছেন, সীমান্ত পোস্ট বাড়ানো হবে। এমন ৫ হাজার পোস্ট বাড়ানো হবে, যাতে অবৈধভাবে অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে না পারে। এজন্য মোতায়েন করা হবে অধিক কর্মকর্তা। ট্রাম্প এ সময় অবৈধ অভিবাসীদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, আমরা এটা নিশ্চিত করব, যাতে অন্য দেশগুলো তাদের লোকদের ফেরত নেয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়ায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও এবারের ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, এখন আমি হিলারির কাছ থেকে শুনতে চাই তিনি কী বলেন। তিনি আসলে যে নীতি বাস্তবায়ন করবেন তা হলো ওবামাকেয়ার/মেডিকেয়ার। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি মঞ্চে ডেকে নেন কয়েকজন ‘অ্যাঞ্জেন মম’ বা যুদ্ধে স্বজন হারানো মা, স্ত্রী বা বাবাকে। তারা ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন। তারা যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন তাদের উচ্চতা অনুযায়ী মাইক্রোফোনটি উঁচু-নিচু করে দিচ্ছিলেন ট্রাম্প নিজেই। বুধবার ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য পুরো খরচ বহন করবে। এর আগে তিনি মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট পেনা নিয়েতোর সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে সেখানে দেয়াল নির্মাণের খরচ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে তারা জানিয়েছেন। পরে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি ট্রাম্পকে বলেছেন, তারা দেয়াল নির্মাণের খরচ দেবেন না। এএফপি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow