Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৭
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্রিফিং
যুদ্ধাপরাধ বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে
প্রতিদিন ডেস্ক

বাংলাদেশে একাত্তরের ঘাতকদের বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে বলে দেশটির স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে। তবে তারা এ বিচার অবাধ, সুষ্ঠু, ন্যায়-নিষ্ঠ, স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক সনদের পরিপূরকভাবে করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছে। খবর : এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক।

এ বিষয়ে ৩০ আগস্ট মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র ই-মেইলে জানান, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা জঘন্য অপরাধ করেছে, তাদের জবাবদিহিতায় আনার প্রক্রিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে। এ ব্যাপারে স্টেট ডিপার্টমেন্ট উল্লেখ করেছে, এ বিচারের ক্ষেত্রে অবশ্যই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল  (আইসিটি)-এর বিচার অবাধ, সুষ্ঠু, ন্যায়-নিষ্ঠ, স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক সনদের পরিপূরক হতে হবে, যা করতে আগেই বাংলাদেশ সম্মতি দিয়েছে। আইসিটির দেওয়া রায় কার্যকর করতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন রয়েছে কিনা— প্রশ্নে মুখপাত্র উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে তাদের বিচারে আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তবে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে বিচার প্রক্রিয়ায়, যা বাংলাদেশের সম্মতি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক রীতির পরিপূরক নয়। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা বাংলাদেশ সরকারের কাছে উত্থাপন করেছি। মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হোক— যুক্তরাষ্ট্র এমনটি চায় কিনা প্রশ্নের জবাবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলেছে, বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের আপামর জনতা ১৯৭১ সালের অপরাধের বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি কেন করতে চাচ্ছেন— সেটি আমরা বুঝি। স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে যে প্রশ্নের অবতারণা করা হচ্ছে, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ অবলম্বন করার পরই আইসিটি প্রদত্ত রায় কার্যকর করা উচিত। এ ইস্যুর চিরসমাপ্তি ঘটাতে তা করা খুবই প্রয়োজন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির ঢাকা সফর সম্পর্কে স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে ডেপুটি মুখপাত্র মার্ক টোনার বিবৃতি দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরিও সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে বলা আছে। তবু আমি বলব, তারা সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই নিয়ে কথা বলেছেন। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেছেন। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেছেন। আমাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে পরিষ্কার করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিস্তৃত পরিসরে সব আলোচনা হয়েছে।’

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow