Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৩৯
কী হবে দুই মন্ত্রীর
মন্ত্রিসভায় থাকতে পারা না পারা নিয়ে বিতর্ক, যাননি আলোচনা সভায়
মাহমুদ আজহার
কী হবে দুই মন্ত্রীর
কামরুল ইসলাম - মোজাম্মেল হক

কী হবে দুই মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও আ ক ম মোজাম্মেল হকের। ওই দুই মন্ত্রী সংবিধান রক্ষার শপথ ভঙ্গ করেছেন— আপিল বিভাগে পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর শুরু হয়েছে আইনি বিতর্ক।

রাজনীতিতেও চলছে নানা উত্তাপ।

এরই মধ্যে গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে ওই দুই মন্ত্রী আমন্ত্রিত থাকলেও যোগ দেননি। এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। আইনবিদদের কেউ কেউ বলছেন, শপথ ভঙ্গ আর অর্থদণ্ডের কারণে দুই মন্ত্রীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত। আরেক পক্ষ বলছে, আইনে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। তবে নৈতিকতার দিক থেকে তাদের সরে যাওয়া উচিত। যদিও বাংলাদেশে এর কোনো নজির নেই। এমন মতও এসেছে, এটা বিচার্য বিষয় ছিল না। সর্বোচ্চ আদালতের একটি পর্যবেক্ষণ। তাই আইনি বা নৈতিকতা— কোনো দিক থেকেই তাদের পদত্যাগের প্রশ্ন আসে না। প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। এ নিয়ে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে সাবেক দুইজন আইনমন্ত্রী, কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক একজন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিজেদের মতামত দেন।  

গত ২৭ মার্চ আদালত অবমাননায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই মন্ত্রীকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করে আপিল বিভাগ। জরিমানার পর তারা মন্ত্রী হিসেবে স্বপদে থাকতে পারেন কিনা, তখন সেই প্রশ্ন উঠেছিল। বৃহস্পতিবার আদালত অবমাননার দায়ে দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

রায়ে দেখা যায়, আপিল বিভাগের আটজন বিচারপতি দুই মন্ত্রী আদালত অবমাননা করেছেন বলে সিদ্ধান্ত টানেন। আর পাঁচজন বিচারপতি বলেছেন, ওই দুই মন্ত্রীর সংবিধান রক্ষার শপথ ভঙ্গ হয়েছে। অন্য তিনজন বিচারপতি শপথ ভঙ্গের বিষয়টি বিচার্য ছিল না বলে উল্লেখ করেছেন। তবে শপথ ভঙ্গের জন্য তাদের মন্ত্রিত্ব থাকবে কিনা, সে বিষয়ে আপিল বিভাগ কিছু বলেনি। সংবিধান বা প্রচলিত কোনো আইনে এ বিষয়েও সুস্পষ্ট কিছু বলা  নেই। রায় প্রকাশ হওয়ার পর এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম কোনো মন্তব্য করেননি।

এ প্রসঙ্গে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেন জানান, ‘আমাকে এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। আমি আরেকটু সংবিধান দেখে বলব। তারা ছাড়তে বাধ্য কিনা, অন্যান্য দেশে কী আছে। এসব নিয়ে কাল (শনিবার দুপুর ১২টায়) আমি কথা বলব। ’ সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘দুই মন্ত্রীর বিষয়টি এখন শুধু আইনগত বিষয় নয়, নৈতিকতার সঙ্গেও এটা গভীরভাবে জড়িত। আমি মনে করি দুই মন্ত্রীর উচিত হবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা। সেটাই তাদের জন্য উত্তম। ’

আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, ‘দুই মন্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা হয়েছে। অর্থাৎ তাদের ফৌজদারি শাস্তি হয়েছে। আইনে বলা আছে, ফৌজদারি শাস্তি হলে তারা বরখাস্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। তারপরও পূর্ণাঙ্গ রায়ে শপথ ভঙ্গের আরেকটি বিষয় এসেছে। দুই কারণেই তারা পদে থাকার সম্পূর্ণ অযোগ্য। তাই আইন মেনে তারা পদত্যাগ না করলে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই থাকবে না। এটাই আবার প্রমাণিত হলো। ’

তিনি বলেন, ‘আমরা মুখে বুলি আওড়াই গণতন্ত্র ও আইনের শাসন, এগুলো কথার কথা। বাস্তবে তারা আইনের ঊর্ধ্বে। এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। আইনেই বলা আছে, একজন ডিসির দুর্নীতির দায়ে তিন বছর জেল হলো বা তিন লাখ টাকা জরিমানা হয়। তিনি তো স্বপদে থাকতে পারেন না। এ জন্য আইনেই বলা আছে, কোনো পদে থাকলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কোনো শাস্তি হলে সেই দিন থেকেই তিনি বরখাস্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন। ’

তবে সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শফিক আহমেদ জানান, ‘দুই মন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছেন কিনা, মন্ত্রী থাকবেন কিনা— এটা বিচার্য বিষয় ছিল না। বিচার্য বিষয় না থাকলে তারা জবাব দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন কিনা। বিচার্য বিষয়ে আদালত একটা অন্য বিষয়ে যদি মন্তব্য করে থাকে, তাহলে এই বিচারে তাদের দোষারোপ করলে মন্ত্রিত্ব থাকবে না। কোন বিধানে আছে, সেটা রায়ে বলা হয়নি। তিনজন বিচারপতি কিন্তু এ রায় নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তারা বিচার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। আদালত একটা অবজারবেশন দিয়েছে। সেখানে তিনজনও দ্বিমত পোষণ করেছেন। এটা নিয়ে টানাহেঁচড়া করার সুযোগ কোথায়? আমাদের বিচার্য বিষয়ে থাকা উচিত। যদি আদালত বলত, তোমরা শপথ ভঙ্গ করেছ, আদালত অবমাননা করেছ, কেন মন্ত্রিত্ব যাবে না— কারণ দর্শাও। এটা তো আদালত বলেনি। তাহলে সেটাকে বলা যাবে না যে বিচারে রায় হয়ে গেছে, তারা এখন আর মন্ত্রী থাকতে পারবেন না। আমার ধারণা এতটা স্ট্রেজ বা বিব্রত করা ঠিক হবে না। এখানে নৈতিকতার বিষয়টিও আসে না। ’ সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদারের মতে, ‘সংবিধানে নৈতিক দিক থেকে তাদের মন্ত্রী থাকা উচিত নয়। কিন্তু আমাদের দেশে নৈতিক কারণে কেউ কখনো পদত্যাগ করেছেন, এমন কোনো নজির নেই। আমি আইনি বিষয়ে স্পষ্ট নয়। সংবিধানে আমি যতটুকু দেখিয়ে, দুই বছর কারাদণ্ড হলে পদত্যাগের প্রশ্ন আসে। নৈতিক কারণে উনাদের পদে থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি এটাও আমি বলব, আমাদের দেশে এ ধরনের দৃষ্টান্ত কেউ স্থাপন করেননি। আইনের বিষয়টি আইনবিদরাই ভালো বলতে পারবেন। ’ সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীনের মতে, ‘দুই মন্ত্রী শপথ ভঙ্গ করেছেন, এটা স্পষ্ট। আমাদের দেশে সেই কালচার ডেভেলপ করেনি। তাই এখন প্রধানমন্ত্রী যত দিন চাইবেন, তত দিন তারা স্বপদে থাকবেন। আমি মনে করি যেহেতু শপথ ভঙ্গ হয়েছে, তারা নিজের থেকেই চলে গেলে এ নিয়ে কোনো কথাবার্তা আসবে না। না হলে প্রধানমন্ত্রী কী করেন, সেই পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের কিছু করার নেই। তারা তো জনগণের কাছে নির্ভরশীল নন। মন্ত্রী শপথ করে হন। শপথ ভঙ্গ হলে আর কিছুই থাকে না। আমি মনে করি, থাকে না। তারপরও তারা থাকছেন, এটা এই দেশের কালচার। আমি মনে করি, নৈতিকভাবে নিজেদেরই সরে যাওয়া উচিত। ’ তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে নৈতিকতা বলতে কিছু নেই। এ কারণে কোনো মন্ত্রী পদত্যাগও করেননি। এখানে অনেক মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে। গণমাধ্যমে এসেছে। বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে এ ধরনের অভিযোগ এলে মন্ত্রীরা নিজের থেকেই সরে যান। এখানে এই দৃষ্টান্ত বিরল। ’ বিশিষ্ট আইনজীবী শ ম রেজাউল বলেন, ‘আমাদের সংবিধানসহ অন্যান্য আইনে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে নৈতিকতার মানদণ্ডে বিষয়টি স্ব স্ব বিবেচনার ওপর নির্ভর করে। আইনে সুস্পষ্টভাবে কোথাও বলা হয়নি, এ জাতীয় কোনো সিদ্ধান্ত এলে তিনি বহাল থাকতে পারবেন কিনা। তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে। কিন্তু এটা শাস্তি হলে কী হবে তা আইনে লেখা নেই। অনেকেই নৈতিকতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন। অনেকেই করেন না। এটা তাদের ব্যক্তিগত চিন্তাচেতনা। কিন্তু আইনে কোথাও বলা হয়নি যে এটা হলে হতে পারবে, কী পারবে না। ’ এ প্রসঙ্গে ড. শাহদীন মালিকের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ করে বললাম আইনে কোথাও এটা লেখা নেই। ’ সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ আরও জানান, ‘দুই মন্ত্রী যে অপরাধই করে থাকুন, আদালত অবমাননার জন্য তাদের শোকজ নোটিস করা হয়েছে। বিচার্য বিষয়ে আদালত অবমাননা। তারা কি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন, পদে থাকতে পারবেন কিনা— এটা বিচার্য বিষয় ছিল না। সেই বিষয়টি নিয়ে তাদের জবাব দেওয়ার সুযোগ ছিল কিনা, তাদের আইনজীবীরা তারাও সেই বিষয়ে আদালতে যুক্তিতর্ক করার সুযোগ পেয়েছেন কিনা। যদি আদালত অবমাননায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা করা হয়, সে জন্য সংবিধানে কোথাও বলা আছে কিনা, এ জন্য তাদের মন্ত্রী পদ থাকবে না। আমাদের সর্বোচ্চ আদালত তো একটা রায় দেবে। একটা রায় দিয়েছে যে তারা আদালত অবমাননা করেছেন। তাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ’

ড. শাহদীন মালিক বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে ১৫তম সংশোধনীর আগে পুরো সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদের একটি অনুচ্ছেদে বলা ছিল, না মানলে কী হবে। বাকি ১৫২টি অনুচ্ছেদে কোথাও বলা নেই না মানলে কী হবে। কারণ হলো সংবিধান হলো ভদ্রলোকের আইন। সংবিধানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের কথা বলা আছে। সারা দুনিয়ায় সংবিধানে ধরে নেওয়া হয়, এখানে ভদ্রলোকেরা কীভাবে কাজ করবেন। সেটার একটা আউট লাইন। কারও যদি জেনে না জেনে ভুলত্রুটি হয়ে যায় সংবিধান ধরে নেয় সে সরে যাবে। সংবিধান তো কখনো ধারণা করেনি— ধরেন কক্সবাজারের বদি, আরও কিছু এমপি আছেন, এই ধরনের লোকজন সাংবিধানিক পদে থাকবেন। অতএব আমাদের সংবিধানের ওপর ধারণা করাই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। যেসব লোকদের কথা চিন্তা করে সংবিধান রচনা করা হয়েছিল, তারা শাস্তি দেওয়ার মতো কোনো কাজ করবেন না। তারা চোর ডাকাত নয়। চোর ডাকাতের আইন আলাদা। সেখানে তাদের শাস্তির বিধান আছে। ’ তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডে ডেভিড ক্যামেরন। সেটা নিজেরও নির্বাচন নয়। তিনি একটা রেফারেন্ডাম দিয়েছিলেন, ইইউ থাকার পক্ষে-বিপক্ষে। বেশির ভাগ জনগণ বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনি তো বলতে পারতেন, এটা তো কোনো নির্বাচন নয়। তাদের দেশে লিখিত সংবিধান পর্যন্ত নেই। কিন্তু তিনি নৈতিকতার খাতিরেই চলে গেছেন। পার্টির নেতারাও রিজাইন করেছেন। আমাদের দেশে নির্বাচনে হারলেও বলে কারচুপি হয়েছে, এ জন্য হেরেছি। ’

আলোচনা সভায় যাননি তারা : রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে গতকাল একটি আলোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের। গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এ কথা। কিন্তু দুই মন্ত্রী আসেননি। কেন আসেননি সেই ব্যাখ্যাও পাওয়া যায়নি তাদের কাছ থেকে।   মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন মাঠ সংগঠক গোলাম কবির ভূঞার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এতে প্রতিবেদক পাঠাতে অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ অনুরোধ করে চিঠিও দিয়েছিল গণমাধ্যমকে। অনুষ্ঠান শুরুর কথা ছিল সকাল সাড়ে ১০টায়। নির্ধারিত সময়ে শুরুও হয় তা। বেলা সাড়ে ১১টার সময় আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি শাহাদাত হোসেন টয়েন নিশ্চিত করেন দুই মন্ত্রী আসছেন না। কামরুল ও মোজাম্মেল সংবিধান রক্ষায় শপথ ভঙ্গ করেছেন- সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর্যবেক্ষণে এমন কথা বলা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। এ রায়ের বিষয়ে দুই মন্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যাবে-ধারণা ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের। তাই বেশ কিছু গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা ভিড় করেন এ আলোচনা সভায়। কিন্তু তাদের হতাশ হতে হয়।

আয়োজক টয়েন জানান, গত বুধবার দুই মন্ত্রী তাদের এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন তাকে। খাদ্যমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কেউই ফোন রিসিভ করেননি।

up-arrow