Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:৪১
আজ সেই ভয়াবহ নাইন-ইলেভেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
আজ সেই ভয়াবহ নাইন-ইলেভেন

আজ সেই ভয়াল ৯/১১। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলার ১৫তম বার্ষিকী। ২০০১ সালের এই দিনে সন্ত্রাসীরা যাত্রীবাহী চারটি বিমান ছিনতাই করে একযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার ও ভার্জিনিয়ার পেন্টাগনে হামলা চালায়। এ হামলায় অন্তত তিন হাজার লোক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকও ছিলেন। ওই হামলায় প্রায় এক হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে সারা বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে। এ হামলার জন্য সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আলকায়েদাকে দায়ী করা হয়ে থাকে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার সদস্যরা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিদ্ধ কিছু ভবনে আত্মঘাতী হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে। দুটি বিমান আঘাত হানে নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ার নামে পরিচিত দুটি ভবনে। দুই ঘণ্টার মধ্যে ভবন দুটি মাটিতে ধসে পড়ে। তৃতীয় বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দফতর পেন্টাগনে আঘাত হানে। এ হামলায় ভবনের পশ্চিম পাশের কিছু অংশ ধসে পড়ে। চতুর্থ বিমানটির লক্ষ্য ছিল ওয়াশিংটনে হামলার। কিন্তু যাত্রীদের প্রতিরোধের সময় বিমানটি পেনসিলভানিয়ার শাঙ্কসভিলে বিধ্বস্ত হয়। নিউইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার স্থলে নির্মিত হয়েছে ন্যাশনাল সেপ্ট. ইলেভেন মেমোরিয়াল অ্যান্ড মিউজিয়াম।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি নানান আয়োজনে পালিত হয়। ৯/১১ হামলার প্রতিবাদেই জঙ্গিবাদবিরোধী যুদ্ধ শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই যুদ্ধের অংশ হিসেবে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়। তবে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ পৃথিবীব্যাপী এখনো চলছে।

up-arrow