Bangladesh Pratidin

ফোকাস

  • চাটাইয়ে মুড়িয়ে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান!
  • কেরানীগঞ্জে বাচ্চু হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি, ৭ জনের যাবজ্জীবন
  • ৩ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে খালেদার আবেদন
  • হালদা নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনা ভাঙার নির্দেশ
  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা
  • কাদেরের বক্তব্যে একতরফা নির্বাচনের ইঙ্গিত: রিজভী
  • কলারোয়া সীমান্তে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
  • বিএনপি নির্বাচনে না এলেও গণতন্ত্র অব্যাহত থাকবে: কাদের
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৫৪
জামায়াত-শিবিরের জন্ম দিয়েছে বিএনপি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জামায়াত-শিবিরের জন্ম দিয়েছে বিএনপি
ফজলে হোসেন বাদশা

‘জিয়া রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে নিয়ে আসেন এবং আইডিএল নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। আর আইডিএলই প্রকৃতপক্ষে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিষ্ঠা করার একটি প্লাটফরম ছিল। তারাই পরে বাংলাদেশে জামায়াত-শিবির প্রতিষ্ঠা করে।’ আর এভাবেই বিএনপির ছত্রচ্ছায়ায় বাংলাদেশে জামায়াত-শিবিরের বিকাশ ঘটেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৈত্রী  নেতা জুবায়ের চৌধুরী রিমুর ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিনস কমপ্লেক্সে এ সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা ফজলুল হক হলের সামনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাতা বাদশা আরও বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে শহীদের রক্ত ও শহীদ রিমুর রক্তের মূল্য সমান। রিমু হত্যার পরই দেশে প্রথম রাজাকারদের শাস্তির জন্য মানুষ সোচ্চার হয়ে ওঠে। সে সময় কেউ কল্পনাও করেনি বাংলাদেশের মাটিতে ওইসব স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের বিচার হবে। কিন্তু শেখ হাসিনা রাজাকারদের ফাঁসি কার্যকর করে দেখিয়ে দিয়েছেন এ দেশে কোনো রাজাকারের স্থান নেই। বাংলাদেশে যত জঙ্গি সংগঠনের সৃষ্টি হয় তার সবই বিএনপি শাসনামলের। আলোচনা সভায় রাবি ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি মাহবুব আলম সুজনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান, ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী মহানগরী শাখার সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক, রাবি অধ্যাপক সুজিত কুমার সরকার, পবা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুল হক প্রমুখ। ১৯৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে শিবির সন্ত্রাসীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালায় এবং ছাত্রমৈত্রীর নেতা-কর্মীদের খুঁজে খুঁজে নৃশংসভাবে হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। এরপর মেঝেতে পড়ে থাকা রিমুকে কুপিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ঘাতকরা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow