Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:০৮
অসামান্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
অসামান্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ
আলী রীয়াজ

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস স্টেট ইনিভার্সিটির রাজনীতি এবং সরকার বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেছেন, নানারকম রাজনৈতিক অচলায়তনের মধ্যেও গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এ অগ্রগতির মূলে রয়েছে তিনটি উপাদান।

এগুলো হচ্ছে— গার্মেন্ট শিল্পে নিয়োজিত বিপুল নারী জনশক্তি, বিদেশে কর্মরত বিশাল দক্ষ-অদক্ষ কর্মীবাহিনী ও বাংলাদেশের কৃষক।

ওয়াশিংটনের উড্রো উইলসন সেন্টারে  মঙ্গলবার নিজের লেখা একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রফেসর আলী রীয়াজের লেখা ‘বাংলাদেশ : এ পলিটিক্যাল হিস্টরি সিন্স ইনডিপেন্ডেন্স’ (স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস) শীর্ষক বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্কট্যাঙ্ক উড্রো উইলসন সেন্টার। এর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট মাইকেল কোগেলম্যানের সঞ্চালনায় বইটির ওপর বক্তব্য দেন ও মতামতসংবলিত প্রশ্ন উত্থাপন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম, যুক্তরাষ্ট্রের সুশীলসমাজের প্রতিনিধি লিসা কার্টিজ, বব হ্যাথওয়ে, ডগ ম্যাকিং, আখতার জাভেদ প্রমুখ। বইটির সারমর্ম বিশ্লেষণ করে প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, সমতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়-বিচার এ তিনটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল; যা পরে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অথচ এ তিন স্তম্ভই বার বার হোঁচট খাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ উদার গণতন্ত্রমনা। যেখানে কোনো চাপিয়ে দেওয়া ব্যবস্থাপনা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার নয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত সম্ভব নয় বলেও মনে করেন প্রফেসর রীয়াজ। উগ্রবাদী পন্থা বরাবরই বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হোক তা ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক উগ্রপন্থা। বইটির ওপর মতামত ব্যক্ত করে লিসা কার্টিজ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি বন্ধে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন— জানতে চাইলে আলী রীয়াজ বলেন, সাংবিধানিকভাবে কোনো দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার এখতিয়ার সরকারের আছে বলে আমি মনে করি না। তবে এ সিদ্ধান্ত জামায়াতে ইসলামীকেই নিতে হবে— মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধ তারা বহন করে চলবে নাকি এর জন্য ক্ষমা চেয়ে সুষ্ঠু রাজনীতির ধারায় ফিরে আসবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow