Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:৫৫
পাকিস্তানের সঙ্গে ঝগড়া সম্পর্ক দুটোই চলবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
পাকিস্তানের সঙ্গে ঝগড়া সম্পর্ক দুটোই চলবে
গণভবনে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে পাকিস্তানের পছন্দের লোকদের বিচার হচ্ছে। তারা তো কাঁদবেই। যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও এর রায় কার্যকর নিয়ে পাকিস্তান যা বলছে, আমরা তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তারপরও তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে, ঝগড়াঝাটিও চলবে।

গতকাল বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। কানাডার গ্লোবাল ফান্ডের পঞ্চম রিপ্লেনিশমেন্ট সম্মেলন এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘের  ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদান এবং অর্জিত সাফল্যগুলো দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান, কানাডা সফর, দুটি পুরস্কার গ্রহণ, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং বিভিন্ন সেমিনারে বক্তব্য দেওয়াসহ গত ১৬ দিনের সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৫ আগস্ট নিহত জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও সদ্য প্রয়াত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে স্মরণ ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের আসন্ন কাউন্সিলের নতুন নেতৃত্ব সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্য কারও কথা বলতে পারব না। আমার তো ৩৫ বছর হয়ে গেছে। আমাকে অবসরের সুযোগ দেওয়া হলে সব থেকে বেশি খুশি হব।’ এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের ‘না’ ‘না’ ধ্বনির মধ্যে  তিনি বলেন, ‘আমি থাকব। দল ছেড়ে তো যাচ্ছি না। কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই সব হবে।’ ৩৫ বছর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে থাকা এবং তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে যাওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত ৩৫ বছরে এই প্রথম টানা পাঁচ দিনের ব্যক্তিগত ছুটি কাটালাম। তবে ব্যক্তিগত ছুটি কাটালেও বসে থাকিনি। ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ছেলের কাছে থাকার সময়ও দিনে দুই ঘণ্টা অফিস করেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে সেখানে বসেই ৫১টি ফাইল নিষ্পত্তি করেছি এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছি।’  

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দুই দেশের মধ্যে সংঘাত হলে আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হব। এ অঞ্চলে শান্তি বজায় থাকুক, এটিই আমরা চাই। সার্কে দ্বিপক্ষীয় কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ না থাকায় আদৌ এ সংস্থার প্রয়োজন আছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্ক থাকবে কি থাকবে না, সে বিষয়ে আমি এককভাবে কোনো কথা বলতে পারি না। এখানে আমার একক কোনো মতামত না দেওয়াই ভালো। সদস?্য দেশগুলো মিলে যে সিদ্ধান্ত নেবে, বাংলাদেশ সেভাবেই এগোবে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সব সময় একটা যৌথ উদ্যোগ থাকা উচিত। এ অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্যই এটার দরকার। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে পাকিস্তানের নানা মন্তব্যের পর দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখা না রাখা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দুটি দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকে। মতভিন্নতাও থাকতে পারে। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত শক্তি। তাই তারা তাদের পেয়ারা বান্দাদের জন্য কাঁদছে। কিন্তু আমরা তো বিচার বন্ধ করিনি। বিচার চলছে। সার্ক থাকার দরকার আছে কিনা এবং পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে বিকল্প কিছু করার কোনো চিন্তা বাংলাদেশের আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সার্কের চেয়ারপারসন এখন নেপাল। বাংলাদেশ চেয়ারপারসন নয়। সার্কের কী হবে এ সিদ্ধান্ত সবাই মিলে নিতে হবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় বিএনপি অবদান রাখতে চায় এবং সরকারের সঙ্গে এ ব্যাপারে সংলাপের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ অবস্থায় আপনার অবস্থান কী? এ প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা কী চান? বিএনপি কী ধরনের নির্বাচন কমিশন চায়? ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি কেমন নির্বাচন কমিশন করেছিল? ওই নির্বাচন কমিশন এক কোটি ৩১ লাখ ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্ত করে ভোটার তালিকা করেছিল। এখন কোনো ভুয়া ভোটারের তালিকা নেই, এ জন্যই বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে পছন্দ নয় বিএনপির।’ এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিএনপি কী তাদের মতোই নির্বাচন কমিশন চায়, যারা এক কোটি ৩১ লাখ ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্ত করবে? এত ভুয়া ভোটার থাকলে তো আর নির্বাচন লাগে না। বিএনপির আমলে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের কথা কী দেশের মানুষ ভুলে গেছে? মাগুরা, মিরপুর ও ঢাকা-১০ এর উপনির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে কোনো ভোটার যেতে পারেনি। তারা  কী সেই ধরনের নির্বাচন কমিশন চায়? আপনারা (সাংবাদিক) কী সেই ধরনের নির্বাচন কমিশন চান। এ সময় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময় তারা অনেক খারাপ কর্মকাণ্ড এবং আমাদের জেলে পুরলেও ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা করার মতো একটি ভালো কাজ করেছে। বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে অবদান রাখায় ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তার তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। তথ্য-প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। আর সে জন্য মা হিসেবে তিনি গর্বিত। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, ‘আমার ছেলে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জন্মগ্রহণ করে। তখন আমাদের বড় দুঃখের সময় ছিল। একটি একতলা বাড়িতে আমাদের বন্দী রাখা হয়েছিল। এমনই একটি দিনে ওর জন্ম। তারপরও আল্লাহ তাকে এত বড় করেছে। বাংলাদেশ যে এত দ্রুত ডিজিটাল হতে পেরেছে এ জন্য জয়ের অবদান অনেক। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সফরকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের পরামর্শদাতা, মূল পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষক, অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহকারী এবং প্রশিক্ষকদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছি। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বজুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছি।’ কানাডায় পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কানাডায় সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীকে যথাশীঘ্র সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানাই। আমি তাকে জানাই যে, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেই নূর চৌধুরীর বিচার সম্পন্ন হবে। জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিয়ে এবারও দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইউএন-উইমেন এবার আমাকে ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম আমাকে ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। গত ২১ আগস্ট আমি এ দুটি পুরস্কার গ্রহণ করি। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করে জাতিগঠনমূলক কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ দুটি পুরস্কার দেওয়া হয়। আমি বাংলাদেশের জনগণকে এই পুরস্কার উৎসর্গ করলাম।’ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন— জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এ ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়েই প্রধানমন্ত্রী চোখের মণির প্রতিচ্ছবি এবং দশ আঙ্গুলের ছাপ দেন। পরে পুরনো ভোটার আইডি কার্ডটি ফেরত দেন তিনি। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তার স্মার্টকার্ডটি তুলে দেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্মার্টকার্ডটি তাকে হস্তান্তর করার জন?্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে তা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। গতকালই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মার্টকার্ড হস্তান্তর করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেন। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত এই স্মার্টকার্ড প্রকল্পের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুস্তাফিজুর রহমান, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, সৌম্য সরকার, নাসির হোসেন, ইমরুল কায়েস ও তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তাদের স্মার্টকার্ড গ্রহণ করেন। পুরনো ভোটার আইডি কার্ড তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ফিরিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্টকার্ড জালিয়াতির ব্যাপারে সচেতন থাকার তাগিদ দিয়ে বলেন, যত ধরনের নিরাপত্তা দরকার তা দিতে হবে।  কোনোভাবেই যেন কেউ এর অপব্যবহার করতে না পারে। তিনি বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব, যত ডাটা নেওয়া হচ্ছে, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একান্তভাবে প্রয়োজন। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন কমিশন দশ কোটির বেশি নাগরিকের তথ?্য-উপাত্ত নিয়ে যে বায়োমেট্রিক ডেটাবেইস তৈরি করেছে, তা ইতিমধ্যে ‘নির্ভরযোগ্য’ হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ‘গ্রহণযোগ্যতা’ পেয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এই ডেটাবেইস ব?্যবহারের সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, পাসপোর্ট তৈরিতে এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারছে এবং ব্যাংকে অর্থ লেনদেনে গ্রাহকদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচি ঘোষণার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি, আজ যে স্মার্টকার্ড আমরা প্রদান করলাম, আমাদের সেই অঙ্গীকারই আমরা রক্ষা করলাম। ডিজিটাল বাংলাদেশ আজকে বাস্তব। সেটাই প্রমাণিত হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব?্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মো. সালেহ উদ্দীন ও বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি চিমিয়াও ফান প্রমুখ।

 

up-arrow