Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০২:২২
নয়াদিল্লির চিঠি
পাকিস্তান প্রসঙ্গে ভারত-চীন উত্তাপ
ঋতুপর্না রায়, নয়াদিল্লি

ভারত-চীন শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের তারিখ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে দ্বিপক্ষীয় উত্তাপ। বিষয় পাকিস্তান! শনিবার ভারতের গোয়ায় বসবে ‘ব্রিকস’ভুক্ত দেশগুলোর সম্মেলন।

উরি ঘটনা এবং ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক-পরবর্তী পর্যায়ে গোটা বিশ্বে পাকিস্তান কার্যত একঘরে হয়ে পড়লেও, স্পষ্টতই বুক ফুলিয়ে ইসলামাবাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বেইজিং। নিজেদের অক্ষ আরও একবার  স্পষ্ট করে দিয়ে সে দেশের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, পাকিস্তান সীমান্ত সিল করে দেওয়ার ভারতীয় সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্তার মতে, এই সপ্তাহে ব্রিকস সম্মেলনের আগে চাপ তৈরি করার এ চেষ্টা হাস্যকর। সেখানে নয়াদিল্লির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে বেইজিং অবশ্যই পাকিস্তান প্রসঙ্গ তুলবে। তার আগে এটা নেহাতই আসর গরম করার প্রয়াস। ওই কর্তার কথায়, ‘যাদের হয়ে লড়তে নেমেছে বেইজিং তারা ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বের সামনে সন্ত্রাস প্রশ্নে উলঙ্গ হয়ে গেছে। তা ছাড়া ভারত কোন আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল করবে, কী করবে না, তা পুরোপুরিভাবে নির্ধারণ হবে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিচার করে। সেখানে কোনো অন্য দেশের নাক গলানোর প্রশ্নই আসছে না। ’ তাত্পর্যপূর্ণভাবে সোমবারই চীনের পক্ষ থেকে ভারতকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছিল, সন্ত্রাস দমনের নামে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করা উচিত নয়। আর আজ চীনের সরকারি সংবাদপত্র ‘দ্য গ্লোবাল টাইমস’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস অব দ্য সাংহাই অ্যাকাডেমির বিশিষ্ট গবেষক হু ঝিয়ং বলেছেন, ‘ভারত অত্যন্ত অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, উরি হামলার পর সেভাবে কোনো তদন্ত হয়নি। ওই হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি। ’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ শুক্রবার ঘোষণা করেছিলেন, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাকিস্তানের সঙ্গে ৩ হাজার ৩২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাকাপাকিভাবে ‘সিল’ করে দেওয়া হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow