Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩১
ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরব অ্যাঞ্জেলিনা
ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরব অ্যাঞ্জেলিনা

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আসার সময় দুই সপ্তাহ পার হচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে গোটা বিশ্ব তিতিয়ে তুলেছেন এই ধনকুবের প্রেসিডেন্ট।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে বিশ্বের বেশির ভাগ নেতাই তার কর্মকাণ্ডের সমালোচনায় মুখর। সর্বশেষ যোগ হয়েছেন প্রখ্যাত হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তিনি বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র সর্বদাই অভিবাসীদের ব্যাপারে ‘দয়াশীল’। কিন্তু হঠাত্ করে এই অবস্থা থেকে দেশটি সরে আসছে। যা কারও জন্য সুখকর নয়। বরং এই চিন্তা-ভাবনা বিশ্বে মার্কিনবিরোধী সন্ত্রাসবাদকে উসকে দেবে। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের বিশেষ দূতও। বিশ্বের নানা প্রান্তে শরণার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করছেন এই হলিউড তারকা ও অস্কার জয়ী অভিনেত্রী। নিউইয়র্ক টাইমসকে তিনি বলেন, অভিবাসীরাই যুক্তরাষ্ট্রকে সমৃৎদ্ধ করেছে। তাদের সেই আমেরিকা প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত অনেকটা ‘আগুন নিয়ে খেলার মতো। ’ নিজের ব্যাপারে জোলি বলেন, তিনি ছয় সন্তানের মা। কিন্তু তার সব সন্তানই বিদেশে জন্ম নেওয়া। কিন্তু তার সন্তানরা মার্কিন নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করে।

তিনি ট্রাম্প সরকারের শরণার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধের আদেশের সমালোচনা করে বলেন, এটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত শিশুদের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব বয়ে আনবে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে ইরাক, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও লেবাননের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের বিরুদ্ধে নির্বাহী আদেশ জারি করেন। আর সিরিয়ার বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্ট কালের। যদিও এই আদেশকে অবৈধ বলে ঘোষণা দিয়েছে একটি আদালত। গতকাল সেই আদেশের সময় সীমা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে আদালত।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি গত বছর লেবানন ও গ্রিসে একাধিক শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি মধ্যপ্রাচ্য থেকে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে জাতিসংঘে প্রস্তাব দেন।

গত সেপ্টেম্বরে স্বামী অভিনেতা ব্রান্ট পিটের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর এই প্রথম জনসম্মুখে কোনো মতামত দিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। আর সেটাও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে। রয়টার্স

এই পাতার আরো খবর
up-arrow