Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৮
আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির চ্যালেঞ্জ বেশি
-------অধ্যাপক নাসিমা জামান
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির চ্যালেঞ্জ বেশি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসিমা জামান বলেছেন, বড় দুই দলের ভাবনায় আগামীর সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে উত্তরণের পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

আগামীর যে নির্বাচন সেখানে বড় দুই দলের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, আওয়ামী  লীগের চেয়ে বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জটা বেশি।

ড. নাসিমা জামান বলেন, ‘গত নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। যে কারণেই হোক তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। ফলে তাদের যারা সমর্থক-কর্মী তারা অনেকটা মাঠে নেই। তাদের উজ্জীবিত করা, তার পরে ধরে নিচ্ছি নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন আমরা পাব, সেখানে বিএনপি তার যে বক্তব্য আছে, যেটা সে চাচ্ছে তা তুলে ধরা বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির চ্যালেঞ্জটা বেশি এবং তাকে অনেক বেশি কাজ করতে হবে। ’

এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করেন, সেই কাজটা এমনভাবে করতে হবে, জনগণকে বোঝাতে সক্ষম হতে হবে যাতে জনসমর্থন পেতে পারে। শুধু সরকারের সমালোচনা করলেই সেটা হবে না।

এ ক্ষেত্রে শুধু বিএনপি চ্যালেঞ্জে পড়বে তা নয়, আওয়ামী লীগের জন্যও চ্যালেঞ্জ আছে। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রথম কাজ হচ্ছে বিএনপিকে আস্থায় নেওয়া। তাদের বিশ্বাস করানো যে, সরকারের অধীনে যে নির্বাচন হবে, তাতে সুচিন্তিত মতামত পাওয়া যাবে। ফলাফলটা সবার জন্য গ্রহণযোগ্য হবে। এটি কিন্তু বড় চ্যালেঞ্জ এখন আওয়ামী লীগের জন্য। ’ তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়ে বিএনপি ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে। তিনি নাকি জনতার মঞ্চে ছিলেন। আমরা জানি যারা সরকারে থাকে, তারা নির্বাচনে কিছুটা সুবিধা পায়। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ কর্মীরা মাঠে আছেন, কাজ করছেন। বিএনপি কিন্তু মাঠে নেই। এখানে কিন্তু বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ অনেক কঠিন। ফলে বিএনপিকে অনেক বেশি এগোতে হবে। কাজ করতে হবে। ’

এই রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, আওয়ামী লীগকে সবার আগে যে কাজ করতে হবে, তা হলো নির্বাচন কমিশনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা। আর নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হতে যেসব কাজ করতে হবে তার মধ্যে ইতিবাচক কাজগুলো বেশি বেশি করে জনগণের মধ্যে প্রচার করা। আর নেতিবাচক যেসব দিক আছে, সেগুলোকে ইতিবাচক দিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। কারণ বার বারই আসবে ৫ জানুয়ারি নির্বাচন কীভাবে হয়েছে, ১৫৩ জন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন, আগামী নির্বাচনে যাতে এসব বিষয়ের উদ্ভব না হয়। সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো যে সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদ দমনে করা হয়েছে সে বিষয়গুলোর প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে আস্থায় নিতে হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow