Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩৫
বিচার ব্যবস্থার সমালোচনায় ট্রাম্প
বিচার ব্যবস্থার সমালোচনায় ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার তার সব রাগ, ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন আদালতের ওপর। তিনি মন্তব্য করেছেন, মার্কিন বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

বিচার বিভাগকে বিপদের কারণ মনে করছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক খবরে বলা হয়েছে, সাত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আদালতে স্থগিতের পর শুক্রবার নতুন আরেকটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনার কথা জানান ট্রাম্প। তার ভাষায়, বিচার বিভাগ যে ভেঙে পড়েছে সেটি তিনি টুইটও করেন। প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতাবলে জারিকৃত মুসলিম নিষেধাজ্ঞার বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি ক্ষুব্ধ-বিরক্ত ট্রাম্প বলেন, মুসলিম নিষেধাজ্ঞায় আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশের সুযোগ নিয়ে গত কয়েক দিনে যারা যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে তাদের ৭৭ শতাংশ এসেছে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা দেশগুলো থেকে। ২৭ জানুয়ারি ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে পরবর্তী চার মাসের জন্য সব ধরনের শরণার্থী কার্যক্রম বন্ধ করেন। এতে পরবর্তী তিন মাসের জন্য সাতটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের (ইরান, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেন) নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। পরে সিয়াটলের এক বিচারক ট্রাম্পের ওই নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের আদেশ দেন। ট্রাম্প প্রশাসন ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলেও বৃহস্পতিবার সান-ফ্রান্সিসকোভিত্তিক তিন বিচারকের প্যানেল তা খারিজ করেন। আপিল আদালতের হারের পর ‘আদালতে দেখা হবে’ বলে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। পরে তিনি নতুন নির্বাহী আদেশ জারির কথা জানান।

যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকশ অবৈধ অভিবাসী আটক : যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে যে অভিযান চলছে তাতে চলতি সপ্তাহেই দেশটির চারটি অঙ্গরাজ্য থেকে কয়েকশ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা নিয়মিত কর্মসূচির অংশ। ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ফোরামের কর্মকর্তা আলি নুরানি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অভিবাসীরা বেশ ভয়ে আছেন। এ ছাড়া মার্কিন নাগরিক, যারা অভিবাসীদের বন্ধু হিসেবে দেখেন, তারাও এ অভিযান নিয়ে শঙ্কিত। বিষয়টি স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। মার্কিন অভিবাসী ও কাস্টমস-সংক্রান্ত বিভাগের কর্মকর্তা ডেভিড মেরিন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীবিষয়ক কর্মকর্তারা আটলান্টা, নিউইয়র্ক, লসঅ্যাঞ্জেলেস এবং এর আশপাশের অঞ্চলে সপ্তাহজুড়ে অভিযান চালান। ওবামা প্রশাসনের সময়েও এ ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ট্রাম্পের পণ্য বেচবে না আরও দুই প্রতিষ্ঠান : ট্রাম্পের পরিবারের মালিকানাধীন আসবাব প্রতিষ্ঠানের ৩১টি পণ্য বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন দুটি বড় বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সিয়ারস ও কেমার্ট। প্রতিষ্ঠান দুটির মুখপাত্রের বরাত দিয়ে হাফিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহেই তাদের ওয়েবসাইট থেকে ট্রাম্প পরিবারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ৩১টি আসবাব পণ্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর আগে ইভানকা ট্রাম্পের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের পোশাক ও জুতা বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিল মার্কিন ডিপার্টমেন্ট স্টোর নর্ডস্ট্রম। এএফপি, বিবিসি, সিএনএন

up-arrow