Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৫১
যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড
আপিল বিভাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আমৃত্যু কারাগারেই থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছে আপিল বিভাগ। গতকাল একটি হত্যা মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির  বেঞ্চ এ মন্তব্য করে।

এ বিষয়ে ওই মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দণ্ডবিধি অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে ৩০ বছর কারাগারে থাকতে হবে। কিন্তু গতকাল প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে জীবনের স্বাভাবিক মৃত্যু পর্যন্ত কারাবাস। পূর্ণাঙ্গ রায় পেলে এ বিষয়ে জানা যাবে। খন্দকার মাহবুব আরও জানান, মামলার শুনানিতে আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করতে আবেদন করলে  আদালত বলেছে, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, হত্যা মামলার শুনানিতে আদালত এই মন্তব্য করেছে। তিনি বলেন, একটি মামলায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ ছিল। হাইকোর্টও ফাঁসি বহাল রাখে। তারা আপিল বিভাগে আপিল করে শুধুমাত্র সাজা কমাতে। আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড থেকে তাদের সাজা যাবজ্জীবন করেছে। আদালত আদেশে বলেছে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ ৩০ বছর নয়, বরং আমৃত্যু। স্বাভাবিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে। আসামিপক্ষ এ সময় বলেছে, দণ্ডবিধি অনুযায়ী যাবজ্জীবন অর্থ ৩০ বছর। তখন প্রধান বিচারপতি বলেছেন, রায়ে এ বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হবে। এখন থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অর্থ আমৃত্যু কারাদণ্ড কিনা এমন প্রশ্নে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এখনই এটা বলা যাবে না। তবে রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে সাভারে জামান নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বিচারিক আদালত আতাউর, আনোয়ার ও কামরুলকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আসামিদের মধ্যে কামরুল পলাতক রয়েছেন। পরে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে হাইকোর্টে তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। ওই মামলায়  গতকাল আপিল বিভাগ তিন আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

up-arrow