Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৯
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ভেবে দেখা হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ভেবে দেখা হবে

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পদ্মা সেতু এখন আর শুধু একটি প্রকল্পেই সীমাবদ্ধ নেই, বিশ্বের বুকে এটি বাংলাদেশের সক্ষমতারও প্রতীক। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন করতে চলাটা জাতি হিসেবে আমাদের গর্ব ও অহংকার বটে।

কিন্তু এই প্রকল্পে অর্থায়ন করাকে কেন্দ্র করে শুধু সন্দেহের বশবর্তী হয়ে বিশ্বব্যাংক কেন  আমাদের অপমান করল, জাতি তার জবাব চায়। কেন বিশ্বের দরবারে শেখ হাসিনার উজ্জ্বল ভাবমূর্তিকে হেয় করা হলো, তারও জবাব চায়। ’ তিনি বলেন, এর উপযুক্ত জবাব না পেলে ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের অর্থ বাংলাদেশের কোনো প্রকল্পে নেওয়া হবে কি না তা ভেবে দেখা হবে। বাঙালি চোরের জাতি নয়, বীরের জাতি। গতকাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর : পরিবেশ সংরক্ষণ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের দূষণের মাত্রা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনাগত শিশুদের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশে গড়তে সবাইকে কাজ করে যেতে হবে। কিন্তু দূষণে দূষণে সর্বস্বান্ত আমরা। কিন্তু বর্তমান থেকে আমাদের ভবিষ্যেক রক্ষা করতে হবে। সাহস নিয়ে এগোতে হবে। ’ শহরে ট্যানারিশিল্পের দূষণ প্রসঙ্গে ওয়াদুল কাদের বলেন, ‘আদালত রায় দিয়েছে। মন্ত্রণালয় সে অনুযায়ী কাজ করছে। আমরা আশা করছি, জনস্বার্থে অচিরেই ট্যানারিশিল্প স্থানান্তরিত হবে। মালিকরা সরকারের আদেশ মেনে তাদের জায়গা বদল করে নেবেন। সরকার এ বিষয়ে কোনো আপস করেনি। যত দ্রুত ট্যানারি সরানো যাবে, ঢাকাবাসীর জন্য তত বেশি মঙ্গল হবে। আমি আশা করব, ট্যানারি মালিকরা এ ব্যাপারে ত্বরিত পদক্ষেপ নেবেন। ’ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. নাসরিন আক্তার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, প্রকৌশলী ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী প্রমুখ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow