Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:০৮
হাসিনার অধীনে ভোটে গেলে পাঁচ বছর পর কেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
হাসিনার অধীনে ভোটে গেলে পাঁচ বছর পর কেন
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীন বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে না। আর খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচনও হবে না।

শেখ হাসিনার অধীনই যদি বিএনপি নির্বাচনে যেত, তাহলে ২০১৪ সালেই যাওয়া যেত। পাঁচ বছর পরে কেন যাবে? গতকাল রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন গয়েশ্বর রায়। জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, তাঁতী দলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনার অধীনেই ভোট প্রস্তাব দেবে বিএনপি— বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এমন খবরের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর রায় পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার অধীন যদি নির্বাচনেই যাব, তাহলে ২০১৪ সালেই যেতে পারতাম। পাঁচ বছর পরে যাব কেন?’ বিএনপির নীতিনির্ধারক ফোরামের এই সদস্য বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে দলের নীতিনির্ধারক পরিষদ এখনো বৈঠক করেনি। দলের মধ্যে নানা মতের মানুষ আছেন। পত্রিকার খবর নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। এ ব্যাপারে বিএনপি দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবে। এখনো নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়নি। ’ খালেদা জিয়ার জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না— আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যায়নি। আগামী নির্বাচনও ৫ জানুয়ারির মতো হলে সে ভোটাররা যাবে না। এ ধরনের নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইলে থাকুক। তবে খালেদা জিয়া ছাড়া কোনো নির্বাচন এ দেশে হবে না। আরেক প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়েছে সরকার। এটা উদ্দেশ্যবিহীন নয়। খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও দলের সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার জন্য। বিএনপি এসব মামলা আদালতের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবেও মোকাবিলা করবে।

up-arrow