Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:৪৯
বাংলাদেশে ভারত চীনের প্রতিযোগী নয় যুক্তরাষ্ট্র : বার্নিকাট
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশে ভারত চীনের প্রতিযোগী নয় যুক্তরাষ্ট্র : বার্নিকাট

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, বাংলাদেশে ভারত কিংবা চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিযোগিতা নেই। তিন দেশের সবাই মিলে সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গড়তে আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) কাজ করি।

ভারত ও চীনের সঙ্গে মিলে বাংলাদেশের উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন  লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল রাজধানীতে আইইউবি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ‘বাংলাদেশে চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র : প্রতিযোগিতামূলক সহযোগিতার বিকাশ সাধন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম। সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আইইউবির খণ্ডকালীন শিক্ষক ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রাশেদ চৌধুরী, উপাচার্য অধ্যাপক ওমর রহমান, গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রামের প্রধান ইমতিয়াজ এ হোসেন, কুনজাং এন তসেরিন প্রমুখ। বার্নিকাট বলেন, ‘আমরা স্বীকার করি, উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের প্রয়োজন একক দেশের ঊর্ধ্বে উঠে ভালো আইডিয়া ও সম্পদের। এজন্য অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের কাছ থেকে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চায় যুক্তরাষ্ট্র। ভূ-রাজনীতি ও কৌশলগত দিক থেকে সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বমুখী বাংলাদেশের সঙ্গে এশিয়ার দেশ চীন ও প্রতিবেশী ভারতের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। ’ তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে খুবই আগ্রহী। যখন মার্কিন কোনো কোম্পানি নতুন কোনো বাজারে প্রবেশ করে, তখন তারা বড় আকারের দক্ষতা, পুঁজি ও প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হয়। বাংলাদেশে কাজ করা মার্কিন কোম্পানিগুলো স্থানীয় শ্রমশক্তিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উপযোগী করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান ও পরিবেশ বজায় রাখছে।

 রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণ এবং আঞ্চলিক উৎপাদন ক্ষেত্র হওয়ার সব অর্থনৈতিক ভিত্তি বাংলাদেশের রয়েছে। দুই দশক ধরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ ধরে রাখা, বড় আকারের যুব ও নির্ভরযোগ্য শ্রমশক্তি, সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের বিশাল বাজার, সৃজনশীল বেসরকারি খাত এবং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত স্থানে এর অবস্থান এ ক্ষেত্রে উল্লেখ করা যায়। সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক উৎপাদন আরও বাড়ানো এবং সমন্বিত জ্বালানি গ্রিডের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সমস্যার অনেকটা সমাধান হতে পারে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow