Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:০৫
৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসছে : অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেট আসছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আগামী বাজেট হবে ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ওই বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত।

কেননা এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। গতকালরাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপ, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনার পরে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি বছর শেষে ৭.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। তবে আগামী অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন এখনো ঠিক করা হয়নি। চলতি বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর পারফরমেন্স সান্তোষজনক। তবে তাদের পারফরমেন্স আরও ভালো হওয়া দরকার। কেননা একদিকে করদাতার সংখ্যা বাড়ছে অন্যদিকে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ছে। ফলে আমাদের রাজস্ব আদায় আরও বাড়াতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে ব্যাংকিং সংস্কার কমিশন গঠনের ঘোষণা দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে বাজেটে নেওয়া মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন সন্তোষজনক। এসব প্রকল্পের দু-একটি বাদে প্রায় সবগুলো বাস্তবায়ন ও কর্মকাণ্ড প্রধানমন্ত্রী নিজেই দেখভাল করেন। তিনি বলেন, প্রত্যেক বাজেটেই কিছু না কিছু নতুন বিষয় থাকে। এবারের বাজেটেও কয়েকটি নতুন ও চমকপ্রদ বিষয় থাকবে। ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতে অনেক ফাঁকি রয়েছে। বিশেষ করে এজেন্ট ব্যাংকিং ফাঁকি রোধে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভ্যাট আইন নিয়ে ব্যবসায়ীদের কয়েকটি দাবি রয়েছে। এগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই ভ্যাট আইন অবশ্যই আগামী অর্থবছর থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এবারের প্রাক-বাজেট আলোচনা শুরু হয়েছে তার বেশ কিছু সুপারিশ সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। সুপারিশগুলো হলো বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রিজার্ভের অর্থ দিয়ে সরকার সভরেন বন্ড ছাড়বে। এই বন্ড ছাড়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার সুপারিশ করা হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অধিক গুরুত্ব দেওয়া, এনবিআরের আয় বাড়াতে পদক্ষেপ, কর ফাঁকি ঠেকানোর পদক্ষেপ ও ব্যাংকিং সংস্কারে কঠোর নজরদারি করতে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow