Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৩৯
মন্ত্রিসভা বৈঠক
কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সামুদ্রিক মত্স্য আইন ২০১৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটি অধ্যাদেশ থেকে আইনে রূপান্তর করা হচ্ছে।

গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মন্ত্রিসভা রিপাবলিক অব কসোভোকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। ২০০৮ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বাধীনতা ঘোষণা করে কসোভো। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এ দেশটিকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১৩টি দেশ এবং ওআইসির ৫৭ দেশের মধ্যে ৩৬টি দেশ কসোভোকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এ ছাড়াও মন্ত্রিসভা বৈঠকে শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট আইন ২০১৭-এর খসড়া, জাতীয় যুবনীতি ২০১৭-এর খসড়া, বাংলাদেশ ও ভুটান এবং বাংলাদেশ কাতারের মধ্যে স্বাক্ষরের জন্য দ্বৈত করারোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৮৩ সালে ‘দি মেরিন ফিশারিজ অর্ডিনেন্স’ করা হয়েছিল। সামরিক শাসনামলে জারি হওয়ায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে সেটি বাংলায় রূপান্তর করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে তিনটি নতুন ধারা যোগ করা হয়েছে। বাড়ানো হচ্ছে শাস্তির পরিমাণও। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বাধা দিলে, ইচ্ছাকৃতভাবে মৎস?্য আহরণের নৌযানের ক্ষতি করলে, লাইসেন্সের শর্ত ভাঙলে এবং অপরাধের প্রমাণ ধ্বংস করলে তিন বছরের জেল ও এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান ছিল অধ?্যাদেশে। প্রস্তাবিত আইনে এসব অপরাধের জন্য সাজা তিন বছর রাখা হলেও জরিমানার পরিমাণ এক লাখ থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে কেউ যদি বাংলাদেশের মৎস?্য জলসীমায় মাছ ধরার নৌযান পরিচালনা করেন এবং তা নির্ধারিত নিয়মে মার্কিং না করেন, তার জরিমানা ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, শেখ হাসিনা জাতীয় যুব কেন্দ্রকে ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করতে ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট আইন ২০১৭’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটি পরিচালিত হচ্ছে ১৯৯৮ সাল  থেকে। প্রাতিষ্ঠানিকিকরণের মাধ?্যমে এ কেন্দ্রকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রস্তাবিত খসড়ায় এই ইনস্টিটিউটের একটি নির্বাহী কাউন্সিল থাকবে, যার প্রধান হবেন যুব ও ক্রীড়া সচিব। ১৮ ক্যাটাগরির সদস্য এই নির্বাহী কাউন্সিলে সদস্য হিসেবে থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, মন্ত্রিসভা জাতীয় যুবনীতি অনুমোদন দিয়েছে। নতুন যুবনীতিতেও যুবাদের বয়স আগের মতো ১৮ থেকে ৩৫ বছর রাখা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow