Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৪০
শূন্যসহিষ্ণু নীতিতে দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শূন্যসহিষ্ণু নীতিতে দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশন—দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ দুর্নীতি নির্মূলে দুদক শূন্যসহিষ্ণু নীতি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বলেছেন, দেশের যে কোনো বিদ্যুৎ প্রকল্পে দুর্নীতি হলেই সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে দুর্নীতি সংঘটিত হওয়ার আগেই তা রোধ করার আইনি ম্যান্ডেট রয়েছে দুদকের।

এআইআইবির প্রকল্পে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা দুর্নীতি হলে তা আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, এআইআইবির প্রতিটি প্রকল্পের উপকারভোগীদের প্রকল্পে সম্পৃক্ত করা হলে মালিকানা সৃষ্টি হয়। তেমনি প্রকল্প টেকসই হয়। এ ছাড়া টেন্ডার প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেই দুর্নীতির সুযোগ থাকে। তাই প্রত্যেক ধাপেই সতর্ক থাকতে হবে। কারিগরি মূল্যায়ন কমিটিতে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট)-এর প্রতিনিধিদের রাখা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি গতকাল দুদক প্রধান কার্যালয়ে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এর কমপ্লায়েন্স, ইফেকটিভনেস ও ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের মহাপরিচালক হামিদ শরীফের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল, মহাপরিচালক মো. মঈদুল ইসলাম, মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী ও এআইআইবির সিনিয়র ইনভেস্টমেন্ট স্পেশালিস্ট হংলিং ইয়ং, সিনিয়র ফাইন্যান্স স্পেশালিস্ট হিয়ান ওয়াং প্রমুখ। দুদক চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘কমিশন দুর্নীতি দমনে শূন্যসহিষ্ণু নীতি নিয়েই এগোনোর চেষ্টা করছে।

আমরা দুর্নীতি নির্মূল করতে না পারলেও নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। ’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতি কোনো একক দেশের সমস্যা নয়, এটি এখন বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তাই আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের চেষ্টা করছি। ’ চীনের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের দিকে দৃষ্টি রাখছি জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, চীনের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরেরও চেষ্টা করা হচ্ছে। ৫৭ সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত ব্যাংকটির ৬টি দেশে ৯টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি—ডেসকোর সঙ্গে ব্যাংকটির ২৬২.২৯ মিলিয়ন ডলারের (প্রাক্কলিত) তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের কাজ ২০১৬ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়েছে। প্রতিনিধি দলের এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক কমপ্লায়েন্স, ইফেকটিভনেস ও ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের মহাপরিচালক হামিদ শরীফ বলেন, এআইআইবির প্রতিটি প্রকল্প হবে জাল-জালিয়াতি, সম্পদের অপব্যবহার ও দুর্নীতিমুক্ত। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, কমিশন এবং এআইআইবি যৌথভাবে কাজ করলে তারা বাংলাদেশে স্বচ্ছভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow