Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ২৩:২৩
ইতিহাসের অপেক্ষা
শততম টেস্টে চালকের আসনে বাংলাদেশ
মেজবাহ্-উল-হক
ইতিহাসের অপেক্ষা

ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো জিততে পারেনি তাদের শততম টেস্ট। কিন্তু বাংলাদেশ কী পারবে আজ? মুশফিকরা কী পারবেন শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শততম টেস্ট জিতে অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের পর চতুর্থ দল হিসেবে রেকর্ডবুকে সোনার হরফে নাম লেখাতে? প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে আজই।

ইতিহাস হাতছানি দিয়ে ডাকছে বাংলাদেশকে। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও মুশফিকদের হাতেই।   যদিও শ্রীলঙ্কার হাতে রয়েছে এখনো দুই উইকেট। লিড ১৩৯ রানের। তবে আজ মহানাটকীয় কোনো ঘটনা না ঘটলে এই ম্যাচে জয় পাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন নয়। এখন যত দ্রুত লঙ্কানদের অলআউট করা যায় ততই মঙ্গল। দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানদের শুরুটা অসাধারণ। আগের দিন বিনা উইকেটে ৫৪ রান করেছিলেন দুই ওপেনার। গতকালও এক সময় লঙ্কানদের স্কোর ছিল ১৪৩/১। কিন্তু কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাকিব আল হাসানের জাদুকরি বোলিংয়ে মুহূর্তের মধ্যেই ম্যাচের চেহারা বদলে যায়। মাত্র ৪৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করছিলেন ওপেনার করুণারত্নে। দারুণ একটি সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। কিন্তু শেষ বিকালে লঙ্কান এই তারকাকেও ড্রেসিং রুমের পথ দেখিয়ে দেন সাকিব। আউট হওয়ার আগে ১২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন করুণারত্নে। এছাড়া লঙ্কানদের ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান কুশল মেন্ডিসের ৩৬। দিন শেষে হারের শঙ্কা মাথায় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন লঙ্কানরা। তা ছাড়া পি সারা ওভাল স্টেডিয়ামের রেকর্ড বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলছে। এই মাঠে সর্বোচ্চ ৩৫২ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে। ২০০৬ সালে সেই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক উইকেটে জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সব শেষ ২০১০ সালে লঙ্কানদের বিরুদ্ধেই চতুর্থ ইনিংসে ২৫৭ রান তাড়া করে জয় তুলে নিয়েছিল ভারত। তবে উল্টো ঘটনাও আছে। ১৯৮৫ সালে লঙ্কানদের বিরুদ্ধে মাত্র ২০৬ রানের টার্গেট তাড়া করেও জিততে পারেনি ভারতীয়রা। যদিও ওই সময়ের পি সারা ওভালের পিচের সঙ্গে এখনকার পিচের অনেক পার্থক্য। শেষ দিনেও অনেক রান হয়। শেষ দুই উইকেটে আজ লঙ্কানরা আর কতই বা লিড নেবে! —জয়টা এখন যেন বাংলাদেশের জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। এমন ম্যাচে জয়ের জন্য দরকার কেবল ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বশীলতা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow