Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৩ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০২
দুর্বৃত্তরা বিচারের ঊর্ধ্বে থেকে যায়
নিজস্ব প্রতিবেদক
দুর্বৃত্তরা বিচারের ঊর্ধ্বে থেকে যায়

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, আমাদের দেশের দুর্নীতিপরায়ণ দুর্বৃত্তরা সব সময় বিচারের ঊর্ধ্বে থেকে যায়। যারা ক্ষমতাসীন, দুর্নীতিবাজ ও দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার হয় না। গতকাল রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি)’ এর আয়োজনে ‘আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের ফসল ও জনজীবন : সরকার ও জনগণের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দায়ী প্রতিষ্ঠান এবং ঠিকাদারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে হাওরাঞ্চলে যে বিপর্যয় হয়েছে- তা আবারও দেখা দেবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি দফতরগুলোর পরিকল্পনাহীনতা ও সমন্বয়হীনতার কারণেই এবারে হাওরের বিপর্যয় হয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলোর সত্যিকারের জবাবদিহি রয়েছে এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ রয়েছে- তাদের বাঁধ নির্মাণসহ কোনো কাজে রাখা হয়নি। আর যারা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আছেন, তারা শুধু দেখেন নিজেদের লাভ। তাদের লাভ এবং লাভের শিকার হলো সাধারণ মানুষ। একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী রিজওয়ানা হাসান বলেন, গত ১৭ বছরে হাওরে আটটি বড় ধরনের বন্যা হয়েছে। তাই এ অঞ্চলকে বিশেষভাবে নাজুক অঞ্চল ঘোষণা দেওয়া যেতে পারে। এবারের আগাম বন্যায় মানুষের দুর্গতির কারণে হাওরে ক্ষুদ্রঋণ মওকুফ করে দেওয়ার যে দাবি স্থানীয়রা করেছেন, তা অত্যন্ত যৌক্তিক বলে আমি মনে করি। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ারপোর সাবেক মহাপরিচালক ম. ইনামুল হক, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, উপনির্বাহী পরিচালক রওশন জাহান, হাওরের মানবাধিকার কর্মী সালেহীন চৌধুরী ও নির্মল ভট্টাচার্য।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow