Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০৯
তুরস্কের সব ক্ষমতা নিলেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান
প্রতিদিন ডেস্ক
তুরস্কের সব ক্ষমতা নিলেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোগানের প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ সমর্থন দিয়েছেন। পরশু দেশটিতে অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ৫১ শতাংশের কিছু বেশি ভোট পেয়ে খুব কম ব্যবধানের জয় পায় এরদোগানের ‘ইয়েস’ প্রচারণা।

ফলে সাংবিধানিক সংস্কারে তার সামনে আর কোনো বাধা থাকল না। এ জয়ের ফলে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের আরও অন্তত এক যুগ ক্ষমতায় থাকার পথ প্রশস্ত হলো। বলা হচ্ছে, নতুন যে সংবিধান আসতে যাচ্ছে, তাতে প্রেসিডেন্ট সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হবেন। এই ভোটের পরে সমর্থকদের চোখে প্রেসিডেন্ট এরদোগান তুরস্কের আধুনিকায়নের রূপকার, বিরোধীদের চোখে একনায়ক।

কি আছে সেই সংবিধানে? : খসড়া অনুযায়ী আগামী ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন। প্রতি মেয়াদে ৫ বছর করে অন্তত দুই মেয়াদ ক্ষমতায় থাকতে পারবেন প্রেসিডেন্ট। ফলে নির্বাচনে জিতলে ২০২৯ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট থাকতে পারবেন এরদোগান। মন্ত্রীসহ সব শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা প্রেসিডেন্ট সরাসরি নিয়োগ করতে পারবেন। কয়েকজন ভাইস-প্রেসিডেন্টও মনোনীত করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বলে কিছু থাকবে না আর। বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন বিনালি ইলদিরিম। বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা থাকবে প্রেসিডেন্টের। জরুরি অবস্থা জারি করা হবে কি না সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট। অর্থাৎ এই সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে তুরস্ক পার্লামেন্ট শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে প্রেসিডেন্ট শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রবেশ করবে। ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করার পর ২০১৪ সালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হন এরদোগান, এটা হওয়ার কথা ছিল কার্যত একটি আনুষ্ঠানিক পদ। গত বছর জুলাই মাসে এরদোগানের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থান ঘটে, যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন। এর পর তুরস্কের অন্তত এক লাখ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন, কারান্তরীণ হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেই থেকে তুরস্কে একটি জরুরি অবস্থা চলছে। বিবিসি

এই পাতার আরো খবর
up-arrow