Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ এপ্রিল, ২০১৭ ২৩:১৭
পরিবহন থেকে নেতারা ‘আন্ডার মানি’ পান
নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবহন থেকে নেতারা ‘আন্ডার মানি’ পান

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আনিসুল হক রাজধানীর গণপরিবহনের নৈরাজ্য সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমরা পুরো সিস্টেমটায় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। কিন্তু সমস্যা হলো, এ সেক্টর থেকে অনেক নেতা আন্ডার মানি পান।

তা ভাঙতে কষ্ট হচ্ছে। এ ছাড়া এর পেছনে বিরাট একটি চক্র আছে, যেমন ছিল সাতরাস্তা ও তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডে। তবে আমরা চেষ্টা করছি সবকিছু সিস্টেমে আনতে। অনেক দূর এগিয়েছি। গণপরিবহনের সংকট নিরসনে রাজধানীতে চার হাজার নতুন বাস নামানোর পরিকল্পনা চলছে। চলতি বছর প্রথম কিস্তির কিছু বাস নামবে। ’ তিনি বলেন, ‘এ বছরই ছয়-সাতটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনে এসব বাস নামানো হবে। রাজধানীতে ২০০ রুটে ২০০ মালিকের ছয় হাজার ৩৯০টি গাড়ি রেজিস্ট্রি করা আছে। আমরা চেষ্টা করছি এই ২০০ জনকে ছয়-সাতটি কোম্পানিতে আনতে। এটা করতে পারলে বাসের মারামারি কমে যাবে। ’ গতকাল রাজধানীর গুলশান-২-এ রুশ ও সৌদি দূতাবাসের সামনে সড়ক ও ফুটপাথের নিরাপত্তা প্রতিবন্ধকতা অপসারণের কাজ পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিবন্ধকতা অপসারণ নিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘জনসাধারণের চলার পথ দখল করে যেসব দূতাবাস বিভিন্ন ব্লক তৈরি করেছে, আমরা তাদের নোটিস দিয়েছি, তারা যেন সব ব্লক সরিয়ে নেয়। আমরা দূতাবাসগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই এসব অভিযান শুরু করেছি। তারা আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছে। ’ চার হাজার নতুন বাস নামানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাস আনার বিষয়ে পরিবহন মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ২৬টি বৈঠক হয়েছে। প্রক্রিয়াটি প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে সবাইকে রাজি করানো কঠিন ছিল। কারণ এর পেছনে হাজার কোটি টাকার ব্ল্যাক মানি কাজ করছে। আর যারা এটা করছেন, ওনারাই বলেন, ভাই, অনেক লোকের অনেক স্বার্থ আছে, যেটা বাংলাদেশে থাকে। আমরা বলেছি, তাদের স্বার্থ বেশি, না দেশের স্বার্থ বেশি?’ 

মেয়র বলেন, ‘বাসের সঙ্গে একটি বিরাট চক্র আছে। তা সাতরাস্তা ও তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ডেও ছিল। অ্যাসোসিয়েশনের মালিকরা বুঝেছেন, এ চক্র থেকে রক্ষা পেতে হলে একটা নতুন পদ্ধতি বের করতে হবে। তাই আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক বড় বড় দেশ যানবাহন নিয়ে অনেক ভালো কাজ করেছে। আমরা মোটামুটি ভালো অবস্থানে এসেছি। ’ এ সময় ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বে গুলশান নর্থ এভিনিউয়ের ৭৯ নম্বর সড়কে রুশ দূতাবাস ও ৮৩ নম্বর সড়কে সৌদি দূতাবাসের সামনের প্রতিবন্ধকতা অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। অভিযানে সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow