Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শনিবার, ২০ মে, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ মে, ২০১৭ ০০:০৬
রাজনীতির নতুন মেরুকরণ
সমঝোতার দরজা বিএনপিই বন্ধ করেছে : ওবায়দুল কাদের
রফিকুল ইসলাম রনি
সমঝোতার দরজা বিএনপিই বন্ধ করেছে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপির সঙ্গে কোনো রকম সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আমরা সমঝোতা করতে চেয়েছি। বিএনপিই সমঝোতার দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। গতকাল সকালে সংসদ ভবনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি একথা বলেন। ৫০ মিনিটের একান্ত আলাপচারিতায় আগামী নির্বাচন, দল ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বিএনপির ভিশন এবং দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস কেমন কাটল ইত্যাদি বিষয়ে কথা হয়।

‘গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় বসতে হবে’—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন  আহ্বানের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ফখরুল সাহেব! সমঝোতার দুয়ার আপনারাই বন্ধ করে দিয়েছেন। সমঝোতা আমরা করতে চেয়েছিলাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার নেপথ্যের কারিগর ছিলেন জিয়াউর রহমান। সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত না হলেও ভিতরে ভিতরে কলকাঠি নেড়েছেন। সেনা আইন ভঙ্গ করে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। খুনিদের বিচার বন্ধ করতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। ১৫ আগস্টের এই ঘটনার পরও কি তিন জোট গঠন হয়নি? এরশাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করিনি? তখন তো বিএনপি নেত্রী একটি জোটের প্রধান ছিলেন। এই তিন জোটের মধ্যে লিয়াজোঁর জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের প্রাক্কালে সমঝোতার জন্য বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোন করেছিলেন, সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিলেন। বেগম জিয়ার প্রত্যুত্তরে সে কি অশ্রাব্য, নোংরা ভাষা! তারপরও বলেছিলাম নির্বাচনে আসতে। কিন্তু তারা নির্বাচনে না এসে শুরু করল আন্দোলন। সর্বশেষ বেগম জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো বিদেশের মাটিতে মারা গেলেন। একজন সন্তান হারা মাকে আরেকজন মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সান্ত্বনা দিতে বিএনপি নেত্রীর বাসায় গেলেন। সেখানে খবর দিয়েই যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা দরজা বন্ধ করে রেখেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী দাঁড়িয়ে থাকলেন কেউ এগিয়ে আসেননি। বিএনপির অনেক নেতা ভিতরে ছিলেন—তারা বের হয়ে আসেননি? স্বাভাবিক সৌজন্যবোধটাও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখাননি তারা। যদি প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে দরজা খুলতেন তাহলে হয়তো সেদিনই সমঝোতার একটি সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হতে পারত। তাদের মনমানসিকতাই সমঝোতার বিরুদ্ধে। এর আগের একটা ঘটনা না বললেই নয়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় গ্রেনেড হামলা করে বিএনপি সরকারের মদদে। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে এবং শেখ হাসিনাকে প্রধান টার্গেট করে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হলো।   এফবিআইকে তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি। আলামত নষ্ট করা হয়। সেই বিচার নিয়ে তখন জজ মিয়া নাটক সাজানো হলো। জাতির জনকের মৃত্যু দিনে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ভুয়া জন্মদিন পালন করেন। এত কিছুর পরও আমরা ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। যে মন্ত্রণালয় চায়—বিএনপিকে দিতে রাজি ছিলাম আমরা। তবু তারা আসেননি। নির্বাচন ঠেকানো এবং গণতন্ত্র রক্ষার নামে তারা ‘রাস্তায় গাছ পুড়েছে, ৬০০ নির্বাচন কেন্দ্র স্কুল পুড়েছে, প্রিসাইডিং অফিসার হত্যা করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে বাস-ট্রাকের কর্মী ৫৫ জনকে। ১৬৫ জনের জীবন নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারা করল এসব? বেগম জিয়া টেলিফোনে নির্দেশনা দিয়েছেন, তিনি নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই সবের পরও কীভাবে সমঝোতা হয়! সমঝোতার দরকার কী? সমঝোতা কি বিতরণ করা যায়? সমঝোতা কি করুণার ব্যাপার? সমঝোতার পরিবেশ তারাই নষ্ট করেছে। তিনি বলেন, বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের বুলি ‘ভূতের মুখে রাম নাম’। তারা কথায় কথায় রং বদলায়। কখনো বিবি, কখনো গোলাম। তাদের গণতন্ত্র আসলে ম্যাজিকের তাস। তাদের বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল, রাতের বেলায় কারফিউ আর দিনের বেলায় খাল কাটা। তাদের দলেই অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা নেই। ৫৭৬ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতি মাসেই বৈঠক করে। তারা এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠক করতে পারেনি।   বিএনপির লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকবে। কারণ নির্বাচন কমিশন গঠনে তাদের পছন্দের একজন ও আমাদের পছন্দের একজন কমিশনার নেওয়া হয়েছে। এটাই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। আমরা নির্বাচনকালীন সরকারে কমিশনকে সহায়তা করব। রুটিন কাজ করব মাত্র। সুযোগ-সুবিধা আমরা বিতরণ করতে পারব না।   যতগুলো মন্ত্রণালয় ও সংস্থা রয়েছে সবগুলো নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থাকবে। এমনকি নির্বাচনে সেনাবাহিনী নামবে কিনা তাও সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। শেখ হাসিনার সরকারের কিছুই করার থাকবে না। পৃথিবীর বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মতো নির্বাচনকালীন সরকার সহায়তা করবে। কোনো রকম হস্তক্ষেপ করবে না। সহায়কের ভূমিকা পালন করবে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে ‘সহায়ক সরকার’ নেই। আগামীতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে জানিয়ে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির মাধ্যমে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। এই কমিশনের অধীনেই যতগুলো নির্বাচন হয়েছে— প্রত্যেকটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে। আগামী সংসদ নির্বাচনও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন আছে, জাতি যাকে খুশি ভোট দেবে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে আওয়ামী লীগ আগ্রহী জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় রাষ্ট্রপতির কাছে যে কয়েকটি প্রস্তাবনা দিয়েছিলাম, তার মধ্যে একটি ছিল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা। নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পদ্ধতিটা ইভিএমকে জোরালোভাবে সমর্থন করি। এখন সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। আমাদের দাবি এটা উত্থাপন করেছি। পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা কেন পিছিয়ে থাকব? ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ইভিএম আছে।   একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে জাতির কাছে প্রত্যাশা কী—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছি। আমাদের চলার পথে ভুল-ত্রুটি নেই— আমরা ‘অভ্রান্ত’ এমন দাবি করব না। যারা কাজ করে তাদের ভুল হবেই। তবে আমরা বিগত কয়েকটি বছর দেশ পরিচালনা করে প্রমাণ করেছি—আমরাই পারি। বিগত ২৮ বছরে বিভিন্ন সরকার যা করতে পারেনি, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার তিন বছরে এই উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছে। সবই জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাটিক লিডারশিপের কারণে সম্ভব হয়েছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে, মেট্রোরেল হচ্ছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে। কিছু ফোর লেন হয়েছে, কয়েকটি হওয়ার পথে, কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে, মাতারবাড়ীতে এলজি টার্মিনাল হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি দেশের জনগণ উন্নয়নের জন্য রায় দেবে। শেখ হাসিনাকে দেখে, নৌকা প্রতীক দেখে, শেখ হাসিনার উন্নয়ন এবং সততার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। ’৭৫-এর পর শেখ হাসিনার মতো সৎ রাজনীতিবিদ দেশে নেই। জনগণ সরকারের ধারাবাহিকতা রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। নারায়ণগঞ্জের মতো নির্বাচন হলে শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসবে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস— আমরা যা যা করার তা সব করেছি। চ্যালেঞ্জ আছে। আমি যে সব শুদ্ধ করি তা কিন্তু নয়—‘আই অ্যাম অলওয়েজ রাইট’ আমি এটা বিশ্বাস করি না। আমি রক্তেমাংসে গড়া মানুষ, দেবতা নয়। আমিও ভুলত্রুটি করতেই পারি। তবে সে ভুলগুলোকে সংশোধনের মানসিকতা থাকলে সমস্যা হয় না। আমি সমালোচকদের স্বাগত জানাই। কারণ যারা গঠনমূলক সমালোচনা করে তারাই আমার প্রকৃত বন্ধু। যারা বিদ্বেষমূলক সমালোচনা করে তাদের চেয়ে ভয়ংকর যারা আমার বন্দনা করে। যারা চাটুকার, মোসায়েক হিসেবে কাজ করে, আমি তাদের ভয় পাই। বিএনপির ভিশন ২০৩০ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ভিশন এতদিন ছিল না। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে অনুকরণ করে তারা ভিশন দিয়েছে। অবশ্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০১ সালেই তাদের ভিশন ছিল। তাহলে আমার প্রশ্ন এ ভিশন থেকে জাতি কী পেল? জাতি এই ভিশন থেকে পেয়েছিল একটা হাওয়া ভবন, একটা খোয়াব ভবন। বাস্তবে ছিল একটা খাওয়া ভবন। জাতি পেল একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা। যার প্রধান টার্গেট ছিল শেখ হাসিনা। তাদের ভিশন শেখ হাসিনাকে হত্যার ভিশন। আহসান উল্লাহ মাস্টার, কিবরিয়াকে হত্যা, ২১ হাজার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এটাই ভিশন ছিল। এ ছাড়া তাদের ৫ বছরে কী দিয়েছে তারা? উন্নয়নের নামে অবাধ লুণ্ঠন। সে কারণে তাদের অপরাজনীতি-দুঃশাসন-খুন এসবের কারণেই ১/১১ এসেছে। তাদের ভিশন ১/১১ এনেছে। এমন ভিশন যে পরিণতি ২০০৮ সালে তাদের শোচনীয় পরাজয়। জনগণ তাদের গ্রহণ করেনি। এটা কী দুঃশাসনের ভিশন ছিল? তারপরও বলব-বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতি করতে গিয়ে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তা থেকে উত্তরণের জন্য আওয়ামী লীগের ভিশন অনুকরণ করে যদি একটা ভিশন আসলেই বাস্তবায়ন করতে চায় তাহলে আমরা স্বাগত জানাব। তবে সেই ভিশন বাস্তবায়নের জন্য আগামীতে ক্ষমতায় আসতে হবে। এজন্য জনগণের কাছে যেতে হবে। ভিশন তুলে ধরতে হবে। তারা ভিশন ভিশন করে অথচ লেটেস্ট টেকনোলজি ইভিএম মানে না। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভিশন দিয়ে এখনই তাদের দল নাকি চাঙ্গা হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় নেতারা জেলায় গিয়ে জনসভা করতে পারছেন না। যেখানেই যান সেখানেই নিজেদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতারা হেনস্তা হয়ে ঢাকায় ফিরে এসেছেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কেন্দ্রীয় সম্মেলনের পর অধিকাংশ জেলাতেই বর্ধিত সভা ও বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি। আমাদের দলে যে ছোটখাটো সমস্যা নেই তা দাবি করব না। তৃণমূলে মাঝেমধ্যে নিজেদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হয়। তবে সেগুলো জিইয়ে রাখি না। মিটিয়ে ফেলি। নেত্রীর কঠোর নির্দেশ আছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অন্যায়কারী যত প্রভাবশালীই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন মন্ত্রীর ছেলেকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় অফিসে একে অপরে ধাওয়া করে। নিজেরাই একে অন্যকে সরকারের দালাল বলে। নিজেরাই নিজেদের শত্রু তাহলে তারা কিসের ভিশন বাস্তবায়ন করবে?

বিএনপিকে নালিশ পার্টি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা একেক সময় একেকটা ইস্যু খোঁজে। জনগণের কাছে সাড়া পায় না। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কত নাটক করল। আবার দেখা গেল ভারতের নির্বাচনের সময় তারা মিষ্টি বিতরণ করল। মার্কিন নির্বাচনে হিলারি জিতবে এমন চিন্তায় বিএনপি নেতারা মার্কিন দূতাবাসে গেল। বাংলাদেশে ফুল আর মিষ্টি ছিল না। সব তারা কিনে নিল। বিদেশে সরকার পরিবর্তন বাংলাদেশে যোগসূত্র কী? ওই দেশের সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কী? আমাদের ক্ষমতায় বসানোর উৎস জনগণ। বিএনপি দেশে ব্যর্থ হয়ে বিদেশে গিয়ে নালিশ করে। এটা আমাদের রাজনীতির জন্য, দেশের জন্য মোটেও শোভনীয় বিষয় নয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow