Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১২ মার্চ, ২০১৮ ২৩:২৩
আকাশেই ঘুরপাক আধা ঘণ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
bd-pratidin

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে সিগন্যাল না পাওয়ায় প্রায় আধঘণ্টা আকাশেই ঘুরছিল ইউএস বাংলা বিএস২১১ বিমানটি। রানওয়ে ০২-এ অবতরণের চেষ্টা করছিলেন বিমানের ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান। তবে বারবারই কন্ট্রোল রুম থেকে বিমানটিকে অবতরণের জন্য নিষেধ করা হচ্ছিল। বারবার বলা হচ্ছিল, ‘হোল্ড।’ পাইলট আবিদ সুলতান বলছিলেন, ‘আমি ডান দিকে যাচ্ছি।’ ঘুরতে থাকা সময়ের ২৫ মিনিটের শেষ দিকে এটিসি থেকে বলা হচ্ছিল, ‘রানওয়ে ক্লোজড।’ একপর্যায়ে কোনো উপায় না পেয়েই বিমানটি অবতরণ করাতে বাধ্য হন পাইলট। সিভিল এভিয়েশনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, নেপালের এটিসি সিস্টেম পৃথিবীর সবেচেয়ে দুর্বল। কেবল এ কারণে গত সাত বছরে ১৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। গতকালও বিমানটি সিগন্যাল না পেয়ে প্রায় আধঘণ্টা আকাশে ঘুরপাক খাচ্ছিল। জানা গেছে, গতকাল ইউএস বাংলা বিএস২১১ বিমানের ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন আবিদ সুলতান ও ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা রশীদ। কেবিন ক্রু হিসেবে ছিলেন মো. শাফী কাউজা হোসেন ও শারমীন আক্তার। তবে একটি সূত্র বলছে, বিমানটিতে রাইডিং ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন না। ৬৭ জন যাত্রী নিয়ে বেলা ১২টা ৫১ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি ছেড়ে যায়। যাত্রীদের মধ্যে নেপালি ৩৩ জন, বাংলাদেশি ৩২ জন, মালদ্বীপের একজন ও চীনা নাগরিক ছিলেন একজন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ইউএস বাংলার মোট আটটি বিমান আছে। এর মধ্যে চারটি ড্যাশ এইট এবং চারটি বোয়িং। একটি ড্যাশ এইট নষ্ট থাকার কারণে কিছুদিন ধরে হ্যাঙ্গারে পড়ে রয়েছে। দেশের বিভিন্ন গন্তব্য ছাড়াও কলকাতা, কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, দোহা ও মাসকট রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে ইউএস বাংলা। এ ছাড়া এপ্রিলে চীনের গুয়াংঝু শহরে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow