Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৪৮
বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতে অভিযুক্ত ৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর চার্জশিট (অভিযোগপত্র) শিগগিরই আদালতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন। গতকাল দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। আবদুল বাতেন বলেন, শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় আসামিদের ৩০৪ ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। জাবালে নূর পরিবহনের একজন মালিকসহ ছয়জনকে দোষী সাব্যস্ত করে চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে তা আদালতে পাঠানো হবে। জানা গেছে, চার্জশিটে জাবালে নূর পরিবহনের বাসের চালক (দুর্ঘটনা ঘটায় এই বাস) মাসুম বিল্লাহ, তার সহকারী এনায়েত হোসেন, বাসটির মালিক শাহাদাত হোসেন, একই পরিবহনের অপর বাসের চালক জুবায়ের সুমন, সহকারী আসাদ এবং মালিক জাহাঙ্গীর আলমকে অভিযুক্ত করা হবে। গত ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়। নিহত দুই শিক্ষার্থী হলো- শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম রাজিব। পরদিন মিমের বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা করেন। এই মামলার তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। এ মামলায় জাবালে নূরের তিন গাড়ির দুই চালক ও দুই হেলপারসহ ৬ জনই গ্রেফতারের পর জেলহাজতে রয়েছে।

ঈগল পরিবহনের চালক কারাগারে : রাজধানীর মিরপুরে বাসের ধাক্কায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার নিহতের মামলায় ঈগল পরিবহনের চালক বেলাল হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহ আলী থানার এসআই খোকন চন্দ্র দেবনাথ আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। এ সময় আসামি বেলাল হোসেনের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। মামলাসূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর চিড়িয়াখানা সড়কের রাইনখোলা এলাকার ঢালে বাসের চাপায় নিহত হন উত্তম কুমার। জব্দ ঈগল পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৬৮২৮) বাসটি নিয়ে সামনে মোটরসাইকেলে করে থানার দিকে যাচ্ছিলেন উত্তম। তার পরনে পুলিশের পোশাক ছিল।

রাইনখোলায় সড়ক কিছুটা ঢালু হয়ে নেমে গেছে। ঢালের মাঝে একটি গতিরোধক (স্পিড ব্রেকার) রয়েছে। উত্তম কুমার সেই গতিরোধক পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলের গতি কমালে পেছন থেকে বাসটি এসে মোটরসাইকেলে ধাক্কা মারে। এতে ছিটকে পড়েন উত্তম। বাসের একটি চাকা তার শরীরের মাঝ দিয়ে চলে যায়। ঘটনাস্থলেই এসআই উত্তমের মৃত্যু হয়। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। এর দুই দিন আগে মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের গাড়িকে ধাক্কা দেয় ওই বাসটি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা ব্যর্থ হওয়ায় এসআই উত্তম কুমার রবিবার চালক বেলাল হোসেনকে দিয়ে বাসটি চালিয়ে থানায় নেওয়ার সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow