Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:২৬
নারায়ণগঞ্জ ও বগুড়ায় বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত
প্রতিদিন ডেস্ক
bd-pratidin

পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গতকাল দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ও একজন বগুড়ায় নিহত হন। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) : সোনারগাঁয়ে মোবারক হোসেন নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, মোবারক ডাকাত দলের সদস্য এবং বন্দুকযুদ্ধে তিনি মারা গেছেন। এ ঘটনায় বাবু নামের আরও এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ সময় দুই পুলিশও আহত হয়েছেন। পুলিশ গুলিবিদ্ধ ডাকাতসহ দলের ছয়জনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুই রাউন্ড গুলি, একটি ওয়ান শুটারগান ও বেশ কয়েকটি দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল গভীর রাতে উপজেলার আষাঢ়িয়ার চর এলাকায় এ ঘটনা  ঘটে। সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, ডাকাতদের বাড়ি সোনারগাঁয়ের প্রতাপের চর এলাকায়। তারা প্রায়ই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনে ডাকাতি করত। রাত ২টার দিকে মহাসড়কের সোনারগাঁয়ের আষাঢ়িয়ার চর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে তাদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। এ সময় পুলিশের এএসআই নারায়ণ চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল মমিনুর আহত হন। বর্তমানে তারা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বগুড়া : বগুড়া শহরের মাটিডালী পল্লীমঙ্গল চৌরাস্তায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আপন ওরফে সিজার (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি বগুড়া সদরের কর্ণপুর এলাকার নূর হোসেন খন্দকারের ছেলে। পুলিশের দাবি, সিজারের নামে বগুড়া সদর থানায় ১১টি মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি ও বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, গতকাল রাত আড়াইটার দিকে বগুড়া শহরতলির মাটিডালী ব্রিজের কাছে একদল দুষ্কৃতিকারী ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছে জানতে পেরে সদর থানার টহল দল সেখানে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুষ্কৃতিকারীরা গুলি চালাতে শুরু করলে পুলিশও পাল্টা গুলি চালিয়ে অগ্রসর হতে থাকে। এ সময় দুষ্কৃতিকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলির শব্দ শুনে আগত লোকজন আহত ব্যক্তিকে কর্ণপুরের আপন ওরফে সিজার বলে শনাক্ত করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, থানায় সিজারের নামে পাঁচটি অস্ত্র মামলাসহ ১১টি মামলা রয়েছে। তিনি শহরতলির মাটিডালী, মানিকচক, বাংলাবাজার এলাকার ত্রাস ছিলেন। বন্দুকযুদ্ধের সময় পুলিশের তিন সদস্যও আহত হন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow