Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০২:২২
হতাশায় সাফ মিশন শেষ বাংলাদেশের
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ড্র করলেই সেমিফাইনাল। এর চেয়ে সহজ সুযোগ আর কী হতে পারে। তাও কাজে লাগাতে পারলেন না জামাল, মামুনুলরা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও গ্রুপ পর্ব খেলে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে। এ নিয়ে টানা চারবার একই পরিণতি। ২০০৯ সালে ঘরের মাঠে শেষবারের মতো সেমিফাইনাল খেলে জাতীয় দল। অতীত যাই হোক, ৯ বছর পর ঢাকাতেই গ্রুপ পর্ব পাড়ি দেওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তা আর হলো কই? নেপালের কাছে ২-০ গোলে হেরে সবকিছুই শেষ হয়ে গেল জামালদের। ভুটান ও পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচ জেতার পর বাংলাদেশ সেমিতে খেলতে পারবে না, তা কেউ ভাবতেও পারছেন না। শুধু কি তাই, দুই ম্যাচ জিতে অনেকে স্বপ্ন দেখছিলেন দক্ষিণ এশিয়া খ্যাত বিশ্বকাপ জেতার। ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ একবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

  ১৫ বছর পর ঘরের মাঠে ফুটবলাররা বিজয় উৎসবে মাতবেন এটাই ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু কী থেকে কী হয়ে গেল। ফুটবল পড়ে থাকল সেই অন্ধকারেই। পাকিস্তান যদি গতকাল ভুটানের সঙ্গে ড্রও করত তাহলে নেপালের কাছে হারলেও সেমিতে যেত বাংলাদেশ। পাকিস্তান ৩-০ গোলে জেতায় সমীকরণটা এমন দাঁড়ায়— বাংলাদেশ হারলেই বিদায়। আত্মবিশ্বাসী জামালরা ড্র নয়, নেপালকে হারিয়ে অপরাজিত থাকবে এ আশাটা সবারই ছিল। কিন্তু ম্যাচে যদি আত্মসমর্থন করে ফেলে তাহলে কি আর জেতা যায়। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে তাই হয়েছে। প্রথমার্ধে গোলরক্ষক সোহেলের অবিশ্বাস্য ভুলে বাংলাদেশ গোল খেয়ে বসে। এতেই মনোবল ভেঙে পড়ে।

 ম্যাচে সমতা আনবে সে দৃঢ়তা কারও মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বরং শেষের দিকে নেপাল ব্যবধান বাড়ালে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। নেপাল, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সমান ৬ পয়েন্ট হলেও গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় হতাশা নিয়েই মিশন শেষ করলেন মামুনুলরা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow