Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:২২
নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে : কাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
bd-pratidin

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অক্টোবরের মাঝামাঝি ছোট আকারের নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা হবে। এই সরকারে বাইরের কেউ আসবে না। তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছি। নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্র্যাট কেউ আসবে না। আকার ছোট হবে। গতকাল সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় পার্টি তাদের আরও দু-একজন অন্তর্ভুক্ত করতে অনুরোধ করেছে। সেটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি কতটা বিবেচনা করবেন, সেটা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এগুলো আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে আছে। আওয়ামী লীগ গতবারের মতো জোটগত নির্বাচন করবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করবে। বিএনপি যদি আসে তাহলে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন বণ্টন, সমঝোতা হবে। সবকিছু নির্ভর করছে মেরুকরণ কীভাবে হবে, সেভাবেই অ্যালায়েন্সের সমীকরণ হবে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য নেই। তারা নিজেদের অফিসেই একে অন্যকে সরকারের এজেন্ট বলে। যারা নিজেদের ঘরেই ঐক্যবদ্ধ নয়, তারা কীভাবে জাতীয় ঐক্য গড়বে? তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে বড় দল। আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এদেশে জাতীয় ঐক্য কীভাবে হয়? আর আওয়ামী লীগ না থাকলে অন্য অনেক দলও তাদের সঙ্গে যাবে না। তাদের আন্দোলন গত ১০ বছরে হয় নাই, আর আগামী দুই মাসেও হবে না। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে বিএনপি রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। এর আগে খালেদা জিয়ার গ্রেফতার নিয়ে তারা রাজনীতি করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। এখন তারা বলছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চাই। তার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গণমাধ্যমের একটি অংশ সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কাজে উসকানি দিচ্ছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনে দেখেছি, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন দেখেছি। বিএনপি মাঠে না থাকলেও মিডিয়ার একটা অংশ তারা আন্দোলন করছে। অথবা আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে। নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে নিজের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে ‘কিছু মিডিয়া’ উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমালোচনা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস চিলাহাটি পর্যন্ত যায়। ওই ট্রেনে যাত্রী ছিল ৬৫০। আমরা ছিলাম সত্তর জনের মতো। পথে পথে যেসব স্টেশনে থামে, সেখানে যাত্রী নেমে গেছে আবার উঠেছে। যখনই রাস্তায় রেলস্টেশনে নেমেছি, তখন যাত্রীরাও অনেকে গিয়ে শামিল হয়েছেন। এই যে দুর্ভোগ বলেন, কয়জন যাত্রীর দুর্ভোগ হয়েছে? অথচ পল্টনে তিনটি রাস্তা বন্ধ করে বিএনপির যে সমাবেশ হয়েছে তাতে কয় লাখ লোকের দুর্ভোগ হয়েছে। সেখানে যে দুর্ভোগ হয়েছে তা তো বলেননি। আওয়ামী লীগকে দেখতে পারেন না, তাই যারে দেখতে নারী তার চলন বাঁকা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow