Bangladesh Pratidin

শিরোনাম

প্রকাশ : শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৬ নভেম্বর, ২০১৮ ২৩:২৫
পুলিশি বাধায় আদালতে হাজিরা দিতে পারছেন না মিলন
নিজস্ব প্রতিবেদক
পুলিশি বাধায় আদালতে হাজিরা দিতে পারছেন না মিলন

পুলিশি বাধার কারণে নিম্ন আদালতে হাজিরা দিতে পারছেন না চাঁদপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উচ্চ শিক্ষা ও চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুদিন দেশের বাইরে ছিলেন তিনি। তাকে গ্রেফতার করতে জেলার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণে বিমানবন্দরের মতো নজিরবিহীন নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আদালতের বাইরে থেকেই মিলনকে গ্রেফতার করতে মরিয়া পুলিশ। এ নিয়ে আদালত ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেন  বিএনপির এই আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক। এরই মধ্যে চাঁদপুর-১ (কচুয়া-মতলব দক্ষিণের একাংশ) আসনে আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পক্ষে মনোনয়নপত্র কিনে জমা দেন তার স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবি। এ ছাড়া ওই আসনে নিজের নামেও একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন নাজমুন নাহার বেবি। আইনের হাতে সোপর্দ হতে ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে ফেরেন বিএনপি নেতা এহছানুল হক মিলন। কিন্তু বাদ সেধেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চাঁদপুরে আদালত ফটকের সামনে নজিরবিহীন নিরাপত্তাবলয় সৃষ্টি করা হয়েছে। এহছানুল হক মিলনের গুলশানের বাড়ি, কচুয়ার গ্রামের বাড়ি এমনকি তার শ্বশুরবাড়িতেও পুলিশ দফায় দফায় হানা দিচ্ছে। এতে মিলন পরিবার ও আত্মীয়স্বজনরাও ঘরছাড়া। পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মিলনের স্ত্রী। তফসিল ঘোষণার পর পুলিশের এ ধরনের আচরণ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে মনে করেন এহছানুল হক মিলন। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘পুলিশ আমাকে গুম করতে চায়। আমি আইনের হাতে সোপর্দ হতে চাই। কিন্তু পুলিশ তা হতে দিচ্ছে না। তারা এখনো সরকারদলীয় “ক্যাডার বাহিনীর” ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।’ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলন বলেন, ‘আমার পরিবার আজ শঙ্কিত। তারা কেউই বাসায় থাকতে পারছে না। তফসিল ঘোষণার পর এখনো সরকারি দলের কর্মীর মতো ভূমিকা পালন করছে পুলিশ। এতে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমি আদালতে হাজির হয়ে জেলে যেতেও প্রস্তুত। কিন্তু পুলিশের আচরণ খুবই মারমুখী। তারা আমাকে আদালতে হাজির হতে দিচ্ছে না। আদালতে সর্বসাধারণের প্রবেশেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইডি কার্ড দেখে আইনজীবীদের আদালতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল আদালতেও আজ নিরাপত্তা নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘জামিনযোগ্য মামলায় অনুপস্থিত থাকায় আমাকে আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আমি আত্মসমর্পণে প্রস্তুত। সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে আমি আদালতে আত্মসমর্পণ করব। এ ব্যাপারে আমি আদালতের কাছেও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow