Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:০১

বরিশাল হাসপাতালে কেন এত শিশুর ভ্রূণ তদন্ত কমিটি

গাইনি বিভাগ প্রধানসহ বরখাস্ত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল হাসপাতালে কেন এত শিশুর ভ্রূণ তদন্ত কমিটি

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাস্টবিনে ৩১টি মানবভ্রূণ ফেলে দেওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গাইনি বিভাগের প্রধান ও নার্সিং ইনচার্জকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে দেহাবশেষগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। গতকাল সকালে হাসপাতালের পরিচালকের কক্ষে এ বিষয়ে এক জরুরি সভা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ও মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ ঊর্ধ্বতনরা  সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক মানিককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গাইনির বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. খুরশীদ জাহান ও গাইনি ওয়ার্ডের নার্সিং ইনচার্জ জ্যোৎস্না আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ডা. খুরশীদ জাহান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

২১ রোগীর পার্শ¦প্রতিক্রিয়া : এদিকে, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থপেডিক বিভাগে সরকারি ওষুধের (ইনজেকশন সেফিউরক্সিম) পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল সকালে এ বিষয়ে এক জরুরি সভা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সভায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. ইউনুস আলীকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ৩ কার্য দিবসের মধ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া যে সরকারি ইনজেকশন (এসেনশিয়াল ড্রাগসের সেফিউরক্সিম) দেওয়ার পর রোগীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে সেই ইনজেকশনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ব্যাচের ওষুধ রোগীর শরীরে না দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ অর্থপেডিক বিভাগের ২১জন রোগীর শরীরে সরকারীভাবে সরবরাহ করা এসেনশিয়াল ড্রাগসের সেফিউরক্সিম ইনজাকশন দেওয়া হয়। এরপর রোগীদের শরীরে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, শ্বাসকস্ট হয় এবং খিচুনী শুরু হয়। পরে পাল্টা চিকিৎসা ব্যবস্থায় তাদের সুস্থ্য করে তোলা হয়। এ ঘটনায় গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি।

এর কয়েক দিন আগে সরকারী একই ইনজাকশন দেওয়ার পর আরও কয়েকজন রোগী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।


আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর