Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ জুন, ২০১৬ ২১:৫৮
জেনে রাখুন
ডিপ্রেশন ও হার্টের সমস্যা
ফ্রাইডে ডেস্ক
ডিপ্রেশন ও হার্টের সমস্যা

হার্টের অসুখ বললেই তার চেনা কিছু উপসর্গ মনের মধ্যে ভেসে ওঠে। ধূমপান হার্টের সমস্যা বাড়ায় এটা আমাদের সবারই জানা। আবার ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপের মতো সমস্যায় হার্টের সমস্যা বাড়ে। আসলে এ ছাড়াও হার্টের জন্য আরেকটি রিস্ক ফ্যাক্টর রযেছে যা অনেকেরই অজানা। তা হলো ডিপ্রেশন বা অ্যাংজাইটি।

বেশির ভাগই মহিলাদের মাঝে রাগ, দুঃখ, অ্যাংজাইটি বা ডিপ্রেশন এসব থেকে হার্টের সমস্যা বেশি দেখা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত ডিপ্রেশন থেকে হার্টের সমস্যা দেখা যায় তুলনামূলক সবচেয়ে বেশি। আজকাল কম বয়সীদের মধ্যেও এ প্রবণতা বাড়ছে। নেগেটিভ ইমোশনগুলোর সঙ্গে হার্টের অসুখের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ডিভোর্স কিংবা সেপারেশনের পরে অনেকেই একাকীত্বে ভোগেন। এই একাকীত্বই হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক মাসল ডিজিজ বা হার্ট ইসকোমিয়ার মতো অসুখের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। গবেষণায় এও দেখা গেছে যে, বড়দের তুলনায় কম বয়সীদের মধ্যেই ডিপ্রেশনজনিত সমস্যা বেশি। ফলে হার্ট দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডিপ্রেশন থেকে মূলত চার ধরনের হার্টের সমস্যা হতে পারে। স্ট্রেস থেকে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। হাইপারটেশন বা অত্যাধিক উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। হার্ট মাসল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। হার্ট ইসকোমিয়া হওয়াও অসম্ভবের কিছু নয়। ইসকোমিয়ার ক্ষেত্রে হার্টের মাংসপেশিতে ব্লাড ফ্লো কমে যায়। ফলে বুকে ব্যথা অনুভব হয় এবং হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে।

ডিপ্রেশন থেকে হার্টের সমস্যায় লক্ষণ

সাধারণত ডায়েবেটিস, ব্লাডপ্রেসার, কোলেস্টেরল হার্টের অসুখের সম্ভাবনা বাড়ায়। তবে কারও যদি এসব লক্ষণ নাও থাকে অথচ ডিপ্রেশন আছে তবে হার্টের অসুখ হতে পারে। ডিপ্রেশনজনিত হার্টের অসুখের মূল লক্ষণ কিন্তু অনেকটা হার্টের অসুখের মতোই। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ, এমনকি স্ট্রোকও ডিপ্রেশনজনিত হার্টের অসুখের লক্ষণ।

সমাধান ও প্রতিরোধ :

স্ট্রেস তো এমনিতেই লাইফস্টাইল ডিজিজ। হার্টের অসুখ আজকাল লাইফস্টাইল ডিজিজে পরিণত হয়েছে। জিনগত ফ্যাক্টর তো পরিবর্তনশীল নয়। কিন্তু জীবনযাত্রায় ছোটখাটো পরিবর্তন আনলেই হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করা সম্ভব। হার্টের সমস্যা একবার ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ তো খাবেনই সেই সঙ্গে স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন কাটিয়ে ওঠাও জরুরি। এক্ষেত্রে নিয়মিত মেডিটেশন ও যোগাসন করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফাঁকা জায়গায় বুক ভরে নিঃশ্বাস নিন। এককীত্ব কাটিয়ে উঠতে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। জাঙ্কফুড এড়িয়ে চলুন। তেলেভাজা খাবারও বর্জন করুন।  ধূমপান তো একেবারেই না।




সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow