Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ জুন, ২০১৬ ২২:০১
কন্ট্যাক্ট লেন্সে গর্জিয়াস
কন্ট্যাক্ট লেন্সে গর্জিয়াস

চোখের সাজে নিত্যনতুন এক্সেসরিজের মধ্যে কন্ট্যাক্ট লেন্স বেশ জনপ্রিয়। প্রকৃতিপ্রদত্ত না হোক ক্ষতি তো নেই; কন্ট্যাক্ট লেন্সে পছন্দের রঙে চোখের মণি রাঙাতে পারেন নতুন আঙ্গিকে। জানাচ্ছেন— সুমাইয়া সিমি

 

চোখ, চুল, ত্বকের রঙে সামঞ্জস্য রেখে লেন্সের ব্যবহার করতে হয়। ত্বকের রঙে খানিকটা বৈচিত্র্য থাকলেও অন্য দুটিতে বাঙালি বলতে গেলে একই রকম। গড়পড়তা সবার চোখের মণি একই রকম, কালো। হয়তো এ জন্যই ফ্যাশনে ভ্যারিয়েশন আনতে ফ্যাশনবিলাসীদের এত আগ্রহ। কেননা লুক পাল্টাতে এর চেয়ে সহজ কিছু আর নেই। রঙ পছন্দ করতে পারলে; ইচ্ছে অনুযায়ী শার্প অথবা সফট কিংবা আলট্রা টেন্ডি লুক— সবই করা যায়।

শুরুতে এটি ফ্যাশনসচেতন চশমা ব্যবহারকারীদের জন্য আশীর্বাদের মতো। তবে, এখন চোখের সমস্যা ছাড়াও অনেকেই ফ্যাশনের ভ্যারিয়েশনে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন। বাজারে ভিশন কারেক্টিং ক্লিয়ার লেন্স ছাড়াও রঙিন লেন্সের বাহারি কালেকশন রয়েছে। হ্যাজেল, হানি, টার্কেইজ, নীল আভার লেন্স ইত্যাদি। এ ছাড়াও সবুজ, ধূসর, বেগুনি ইত্যাদির পাশপাশি মিশ্র কিছু রঙ যেমন— মিষ্টিক, ধূসর, ট্র স্যাফায়ার, নীল, লালচে-বাদামি আভার লেন্স। তবে, ধূসর, স্টার্লিং ধূসর, অ্যামেথিস্ট, টারক্যুইজ, বাদামি, পিওর হ্যাজেল, হানি হ্যাজেল রংগুলোই বেশি চলছে। রং নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছুটা কৌশলী ও সচেতন হওয়া দরকার। সবার আগে দেখতে হবে স্কিন টোন। এ ছাড়া সাজ-পোশাক, চুলের রং, উপলক্ষ ইত্যাদি তো রয়েছেই। লাইট স্কিন টোনে নীল, ধূসর, সায়ায়ার, সবুজ ভালো মানাবে। আবার একটু ডার্ক স্কিন টোনে বাদামি, লালচে-বাদামি, টার্কেইজ, বেগুনি বেশি মানায়। 

ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রে অপশন বেড়েছে। ফ্রেশলুক, অ্যাকোয়াফ্লেক্সি, অ্যাকোয়াসফট ইত্যাদি ব্র্যান্ডের লেন্স তুলনামূলক বেশি মেলে। এর মধ্যে সুলভ মূল্যের জন্য ফ্রেশলুক বেশ জনপ্রিয়। এ ছাড়া ভিশন কারেক্টিং ক্লিয়ার লেন্সের জন্য আরেকটি ভালো ব্র্যান্ড হলো ব্রাউচ অ্যান্ড লন্স। আবার ব্র্যান্ড ভেদে লেন্সের মেয়াদেও রয়েছে ভিন্নতা। যেমন- ফ্রেশ লুক লেন্সের মেয়াদ প্রায় এক বছর। অপরদিকে অ্যাকিউভিয়ের কিছু লেন্সের মেয়াদ তিন মাস। এ কারণে দামেও রয়েছে ভিন্নতা। শুধু ব্র্যান্ডই নয়, চশমার অল্টারনেটিভ হিসেবে পাওয়ার দিয়ে লেন্স কিনলেও দামে হেরফের ঘটবে। লেন্সের দাম ৮০০-১৫০০ টাকার মতো। আর পাওয়ারসহ অর্ডার করতে চাইলে খরচ করতে হবে ১৫০০-২৫০০ টাকা। এবার আসি লেন্সের সলিউশনে। বাজারে বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের সলিউশন রয়েছে। যেমন- ফ্রেশলুক, কমপ্লিট, অ্যাকোয়াফ্রেক্সি। দাম পড়বে ২৫০-৫০০ টাকা। লেন্স কেনার সময় খেয়াল রাখবেন; লেন্সটি যেন সফট হয়। যে কোনো চশমার দোকানে এসব লেন্স পেয়ে যাবেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ




সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
up-arrow